ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ডার্বি, শহর জুড়ে এক অন্যরকম রোমাঞ্চ। সে ম্যাচে ম্যানচেস্টের ইউনাইটেডকে আর্লিং হালান্ডের একমাত্র গোলে ১-০তে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েকঘণ্টা পর রেফারিং সংস্থা প্রো রেফ জানিয়েছে, সেই গোলটি ছিল একটি ভুল সিদ্ধান্ত।
ম্যাচে ৬০ মিনিটে হওয়া সিটির জয়সূচক গোলটি অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভুল স্বীকার করেছে রেফারিং সংস্থাটি। সিটিজেনদের জয়ের কয়েকঘণ্টা পরেই সে বিবৃতিতে প্রো রেফ জানায়, তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে যোগাযোগ করে একটি সিদ্ধান্তজনিত ভুল স্বীকার করেছে। এছাড়াও আর্লিং হালান্ডের করা সেই গোলটির ক্ষেত্রে ভিএআরের উচিত ছিল মাঠের রেফারিকে পুনরায় পরিস্থিতি যাচাইয়ের পরামর্শ দেয়া।
মাঠের রেফারি প্রথমে অফসাইডের কারণে হালান্ডের গোলটি বাতিল করেছিলেন। কিন্তু পরে ভিএআর সে সিদ্ধান্ত বদলে দেয়। ভিএআর কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেন যে, ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার প্যাট্রিক ডরগুর অবস্থানের কারণে হালান্ডকে অনসাইড হিসেবে গণ্য হন। তবে, বলটি হালান্ডের কাছে পৌঁছানোর আগে ম্যানসিটির এনজো ফের্নান্দেজ বল পায়ে নেয়ার চেষ্টার সময় অফসাইড অবস্থানে ছিলেন।
ফের্নান্দেজ বল স্পর্শ না করলেও, তার নড়াচড়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লিসান্দ্রো মার্টিনেজের রক্ষণাত্মক ভূমিকায় প্রভাব ফেলেছিল বলে মনে করা হয়। খেলার নিয়ম অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির কারণে গোলটি বাতিলই থাকা উচিত ছিল।
প্রো রেফের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ওল্ড ট্রাফোর্ডে রোববার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যকার প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ঘটা ঘটনার প্রেক্ষিতে, আর্লিং হালান্ডের গোলটি অনুমোদনের বিষয়ে আমরা একটি ব্যাখ্যা প্রদান করছি। মাঠের রেফারি প্রথমে আর্লিং হালান্ডকে অফসাইড ঘোষণা করেছিলেন, ভিএআর তা যাচাই করে এবং তাকে অনসাইড অবস্থানে পাওয়া যায়।’
‘একই আক্রমণে এটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে এনজো ফের্নান্দেজ বল খেলেননি, যার ফলে অফসাইড বিষয়টি আপেক্ষিক হয়ে পড়ে। তবে এক্ষেত্রে, তার অবস্থানের সম্ভাব্য প্রভাব ভিএআর আমলে নেয়নি এবং তাদের উচিত ছিল মাঠের রেফারিকে পুনরায় পরিস্থিতি যাচাইয়ের পরামর্শ দেয়া।’
‘আমরা যেটিকে সিদ্ধান্তজনিত ভুল বলে মনে করছি তা স্বীকার করতে আজ সন্ধ্যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে একটি পর্যালোচনা করা হবে।’









