চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে আগে সেরা চারের বাঁধা টপকাতে হবে। সে লক্ষ্যে পা বাড়ানো আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল এখন বার্মিংহামে। এখানকার ভেন্যু এজবাস্টনেই আগামী ১৫ জুন টাইগারদের সেমির ম্যাচ। সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে যাতে মাশরাফিদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে ভারত।
রোববার কার্ডিফ থেকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার বাস ভ্রমণ শেষে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় সেমিফাইনালের ভেন্যুতে পৌঁছান সাকিব-তামিম-রিয়াদরা।
সোমবার বিশ্রামে কাটিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এজবাস্টনে অনুশীলনে নামবে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।
টাইগারদের সেমির প্রতিপক্ষ একরকম চূড়ান্তই। সেটি বিরাট কোহলির ভারতই। সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে সেমি নিশ্চিত করেছেন রোহিত-যুবরাজা। রানরেট (+১.৩৭০) বাকিদের চেয়ে অনেক এগিয়ে তারা। সেটিই দলটির গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পালে জোর হাওয়া দিচ্ছে।
এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল রানরেটে (+০.১৬৭) দুইয়ে ছিল। কিন্তু প্রোটিয়াদের সেমির আশা শেষ। সেমির লাইনআপের দৌঁড়ে বাকি থাকল কেবল শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান। সোমবার তাদের লড়াইয়ে জয়ী দলটিই সেরা চারের টিকিট পাবে। তবে রানরেটে অনেক পিছিয়ে তিনে থাকা শ্রীলঙ্কা (-০.৮৭৯) ও চারে থাকা পাকিস্তানের (-১.৫৪৪) যেই জিতুক, তার রানার্সআপ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
শনিবার এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের কাছে অস্ট্রেলিয়ার পরাজয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের সেমিফাইনাল। তার আগে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সেমির দাবিটা জানিয়ে রেখেছিল র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বর দলটি। আর সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে এই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এই আসরে একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে সেমিতে ইয়ন মরগানের দল।
সেমিতে ওঠার পেছনে ভাগ্যের কিছুটা ছোঁয়া পেয়েছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বৃষ্টির কল্যাণে এক পয়েন্ট পায় টাইগাররা। পরে কিউইদের হারিয়ে তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সেমি নিশ্চিত করে টাইগাররা।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর আগে দেশের সাবেক ক্রিকেটার-বিশ্লেষকরা বলছিলেন, সেমিফাইনাল খেলা অসম্ভব নয়। বাংলাদেশ দলও বিশ্বাস রেখেছিল সেমিতে ওঠার। এবার তো ফাইনাল খেলার হাতছানি সাকিব-তামিমদের সামনে। এজবাস্টন থেকে বাংলাদেশ দল নিশ্চয়ই আবার ফিরে যেতে চাইবে ওভালে। সেখানেই ১৮ জুন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল।









