অনূর্ধ্ব-১৯ মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে জিতে আসর শুরু করে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার কাছে লড়াই জমিয়ে হেরে যায় সুমাইয়া আক্তারের দল। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে জুনিয়র টিম টাইগ্রেস কোনো সমীকরণ-হিসাব ছাড়াই আয়েশে পরের রাউন্ডে অর্থাৎ, সুপার সিক্স পর্বে জায়গা করে নিলো। ইউরোপের দেশটিকে ১৮ রানে হারিয়ে সুপার সিক্সের টিকিট কেটেছে লাল-সবুজের দলটি।
মালয়েশিয়ায় ইউকেএম ক্রিকেট ওভালে বুধবার সকালে টসে জিতে সুমাইয়া আক্তারের দলকে ব্যাটে পাঠান স্কটিশ অধিনায়ক নিয়াম মুইর। নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা ১২১ রান করতে পারে। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৩ রানের বেশি যেতে পারেনি স্কটল্যান্ড।
১২২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্কটিস মেয়েদের। ১৯ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙে ১১ রান করা এমা ওয়ালসিংহাম ফেরেন আনিসা আক্তার সোবার বলে। একই ওভারে পাগলাটে দৌড়ে রান নিতে গিয়ে ৮ করা পিপ্পা কেলিকে রানআউটে ফেরান সাদিয়া ইসলাম। দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লে সামাল দেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার পিপ্পা স্প্রৌল ও অধিনায়ক নিয়াম মুইর জুটি।
এই জুটিতে মাঝে জয়ের আশাও জাগিয়েছিল স্কটল্যান্ড। ৫০ রানের জুটি ভেঙে নিয়াম আউট হলে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে স্কটল্যান্ড। নিয়ামের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। আর স্প্রৌল খেলেন সর্বোচ্চ ৪৩ রানের ইনিংস। বাকিদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেনি আর কেউ।
বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন আনিসা আক্তার। একটি করে উইকেট শিকার করেন নিশিতা আক্তার নিশি ও হাবিবা ইসলাম পিঙ্কি।
সকালে ব্যাটে নেমে শূন্য রানে আউট হয়ে ফিরে যান ওপেনার সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা। শুরুতেই চাপে পড়ে টাইগ্রেসবাহিনী। চাপ সামলা দেয়ার চেষ্টা করেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও ফাহমিদা ছোঁয়া। দুজনের ব্যাটে আসে যথাক্রমে ২০ ও ১৪ রান। কিন্তু নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকলে শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহের বাধা আসে বাংলাদেশের।
লাল-সবুজদের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক সুমাইয়া আক্তার। আফিয়া আশিমা ইরার ব্যাট থেকে আসে ২১ রান।
স্কটল্যান্ডের হয়ে নায়মা শেখ ও মাইসি মেসিরা নেন দুটি করে উইকেট। গ্যাব্রিয়েলা ফন্টেনলা, অ্যামি বাল্ডি ও কার্স্টি ম্যাককল নেন একটি করে উইকেট।









