বিপিএলে দ্বিতীয় দিনের খেলা চলছে। তিনটি ম্যাচ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। অর্থাৎ, ৬ ইনিংস। ১৯৭, ২০০, ১৯১, ১৫১, ২০৩ ও ১৬৬। মিরপুরের উইকেটে টি-টুয়েন্টিতে এমন ইনিংস দেখা যায়নি বহুদিন। এবারের আসরে স্পোর্টিং উইকেট দেখা যচ্ছে। এর পেছনেও নাকি রহস্য রয়েছে, যা জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ।
মঙ্গলবার আসরের দ্বিতীয় দিনে প্রেসবক্সে ঘুরতে আসেন ফারুক আহমেদ। আলাপকালে জানান রহস্য। আসর শুরুর আগেই ভালো উইকেট করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিসিবি প্রধান।
‘কিউরেটরকে আগেই নির্দেশনা দিয়েছি, উইকেট যেন ভালো হয়। ব্যাটররা যাতে রান করতে পারে, বোলাররাও যেন চাইলে ভালো বোলিং করতে পারে। উইকেটে আড়াই মিলিমিটার ঘাস রাখা হয়েছে। ঘাস আরও কম রাখা যেত, কিন্তু সেক্ষেত্রে পরের দিকে উইকেট ভালো থাকত না। আমি বলেছি এরকম উইকেটই রাখতে।’
এমন উইকেট করার পেছনের কারণও বলেছেন ফারুক আহমেদ। উদাহরণ টেনেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ওয়ানডে সিরিজের ভেন্যুর কথা। যদিও হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথম ম্যাচে ২৯৪ এবং শেষ ম্যাচে ৩২১ রান করেছিল টিম টাইগার্স। তা দেখে বিসিবি প্রধানের মনে হয়েছে ভালো উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ভালো করতে পারে। সেজন্যই এমন উইকেট বানানোর নির্দেশনা দেন।
‘এটার পেছনে ছোট্ট একটা কাহিনী আছে, আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে সেন্ট কিটসে যে খেলাটা খেলেছি। পরিসংখ্যান যদি দেখেন ৩২২, ২৯৫ অতিরিক্ত করি নাই আমরা। উইকেট যদি দেখেন মনে হয়েছিল সিমেন্টে বানানো। মানে চোখ বন্ধ করে ব্যাট করছে। আমার মনে হয়েছে, যখন ভালো উইকেট হয় তখন বোলাররা শেখে কীভাবে ভালো বল করতে হয়। আর ব্যাটাররা তো জানেই এখানে আমাকে কী করতে হবে। তখন মনে হয়েছে, ফোর ডে ম্যাচে বাউন্সি উইকেট হতে পারে। তবে টি-টুয়েন্টিতে ভালো উইকেট হতে হবে।’
বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে এমন উইকেট থাকবে কিনা তার অবশ্য নিশ্চয়তা নেই। তবে বিসিবি প্রধান আশাবাদী খুব বেশি পরিবর্তন হবে না উইকেটের। বলেছেন, ‘উইকেটের আচরণ অনেক কারণেই বদলাতে পারে। পরের দিকে কী হয় বলতে পারব না। তবে আশা করি খুব বেশি পরিবর্তন হবে না। স্পোর্টিং উইকেটই থাকবে। বিপিএলে দর্শকেরা রান দেখবেন।’









