তৃতীয় ধাপের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলবে। তবে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্তের আগে পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।
এছাড়া হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটিতে সিআইডির একজন কর্মকর্তাকে রাখতে বলা হয়েছে।এবিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ।
এর আগে তৃতীয় ধাপের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট সেই সঙ্গে এই পরিক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া প্রশ্ন ফাস বিষয়ে বিবাদীদের নিস্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না এবং নতুন করে পরীক্ষা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। এসংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে গত মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেয়। সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা গত ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ২১ জেলার সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এই পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নের উত্তরপত্র ও ডিভাইসসহ মাদারীপুরে সাতজন ও রাজবাড়ীতে একজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় দুই জেলায় আলাদাভাবে মামলা হয়। প্রশ্ন ফাসের অভিযোগ ওঠার পরেও গত ২১ এপ্রিল রাতে ফল প্রকাশ হয়। যেখানে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয় যাদের ভাইভা পরীক্ষা চলমান। তবে প্রশ্ন ফাসের অভিযোগে এই পরীক্ষা বাতিল চেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ জন হাইকোর্টে রিট করেন।









