খন্দকার মুশতাক এবং জিয়াউর রহমানকে অবৈধ রাষ্ট্রপতি বললেও এরশাদ অবৈধ ছিলেন না বলে দাবি করেছে জাতীয় পার্টি। দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেছেন, এরশাদ অবৈধ রাষ্ট্রপতি হলে ৯০ পরবর্তী সব ধরণের সাংবিধানিক কর্মকাণ্ডই অবৈধ।
সোমবার রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইনে মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার পর থেকেই ৮২তে ক্ষমতা দখল করা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নাম আলোচনায় আসে। আইনের বিধানে আছে উপযুক্ত আদালত থেকে নির্ধারিত হলে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছেন এমন কোনোরাষ্ট্রপতি অবসরভাতা পাবেন না।
তবে জাপা চেয়ারম্যানের হয়ে দলের মহাসচিব জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে এরশাদের বৈধতা নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই।
জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বরের পর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পল্লীবন্ধু এরশাদের জাতীয় পার্টি রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলো এবং আমার নেতা পল্লীবন্ধু এরশাদ দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এই অংশটাকে ৭ম সংশোধনীতেই বৈধতা দেওয়া হয়েছে।
তাই ৯০’র ক্ষমতা হস্তান্তর, সংবিধান সংরক্ষণ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যহত রাখা এবং ৯১’র নির্বাচন সব কিছুই বৈধ প্রক্রিয়ায়ই হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৈধ অবৈধ বিতর্কে শুধু এরশাদ নন, আলোচনায় আছে আরো দুজনের নাম। জাপা মহাসিচবও অবৈধ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নাম নিলেন তাদের।
তাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পঞ্চম সংশোধনীর রায়ে বলা আছে জিয়াউর রহমান অবৈধ রাষ্ট্রপতি। তার পুরো শাসকালেই অবৈধ জিয়াউর রহমানের। একইভাবে মুশতাকের পুরো শাসন ব্যবস্থা অবৈধ। মুশতাক-জিয়া হচ্ছেন অবৈধ রাষ্ট্রপতি, পল্লীবন্ধু এরশাদ নন।
তবে বাবলু জানিয়েছেন, এক সঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করা যায় না বলে এইচ এম এরশাদ সাবেক রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা না নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধান হিসেবে অবসর ভাতা নিয়ে আসছেন।






