আরমান পারভেজ মুরাদ। অভিনেতা। মঞ্চ, টেলিভিশন এবং বড় পর্দায় কাজ করছেন। পাশাপাশি আবৃত্তিতেও সমান মনোযোগ দিয়ে চর্চা করে যাচ্ছেন। ২০০৪ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘ব্যাচেলর’। কাজী মোরশেদের ‘ঘানি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ২০০৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি অভিনয় করেছেন খেলাঘর, প্রিয়তমেষু, রাবেয়া, আমার বন্ধু রাশেদ, হাছনরাজা, সংগ্রামসহ অনেক চলচ্চিত্রে। দেশভাগের ফলে আটকে পড়া এক ব্রাক্ষণ পরিবারের কাহিনী নিয়ে আকরাম খানের চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’তেও অভিনয় করেছেন তিনি। সম্প্রতি তিনি এসেছিলেন চ্যানেল আই ভবনে। সেখানেই চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় তার-
বর্তমান কাজ নিয়ে ব্যস্ততা কেমন, জানতে চাইলে এই অভিনেতা বলেন, হ্যাঁ, ব্যস্ততা তো লেগেই আছে। এইতো আহসান সারোয়ার পরিচালিত ‘রং ঢং’ ছবির কাজ শেষ করলাম। ডাবিংও শেষ। এছাড়া সিরিয়াল, এক ঘন্টার নাটক নিয়ে ব্যস্ত আছি সবসময়ই।
সামনে কোনো ছবির কাজ হাতে রয়েছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, আরও দুইটা সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। একটাতে আমি মাঝির চরিত্রে এবং অন্যটাতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করবো।
চরিত্র দুটিকে ফুটিয়ে তুলতে বাড়তি কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমাকে যেন একদম মাঝির মতোই মনে হয় তা ফুটিয়ে তুলতে আমি প্রতিনিয়ত প্র্যাকটিস করছি। আর ভিলেন চরিত্রের জন্যও প্রস্তুতি চলছে। ভিলেন হলেও, ছবিতে আমি তাকে একটু ভিন্ন ধাঁচে তুলে ধরার চেষ্টা করছি, গতানুগতিক নয়।
নিজের আবৃত্তি চর্চার কথা শেয়ার করে বলেন, এটা নিয়মিত করে যাচ্ছি। ভীষণ ভালো লাগে আবৃত্তি। বাংলাদেশ বেতার আগারগাঁয়েতো আমার আবৃত্তি নিয়ে ৩টা আর্কাইভও হয়ে গেছে এর মধ্যে(হা হা হা..)। এছাড়া ‘আমার মাতৃভূমি’ নামে একটা কবিতার অ্যালবাম বের হচ্ছে। যেখানে মোট ২৩ টি কবিতা রয়েছে। হাজার বছরের বাঙ্গালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে কবিতাগুলোতে।

ছবি: তানভীর আশিক









