ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ফিরেই চমক দেখালো ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টিং ক্লাব। প্রথম ম্যাচেই তারা হারিয়েছে গত আসরের রানার্সআপ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের তিন সদস্য অভিষেক, রাকিবুল, মাহমুদুলদের পারফরম্যান্সের কাছে পাত্তা পায়নি সাব্বির, নাঈম, সানজামুল, আল-আমিনদের নিয়ে গড়া শক্তির বিচারে এগিয়ে থাকা রূপগঞ্জ।
বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে মাত্র ২৩০ রানের সংগ্রহ করেও ২৫ রানে ম্যাচ জিতেছে ওল্ড ডিওএইচএস। ইনিংসের শেষ বলে অলআউট হওয়া রূপগঞ্জ তোলে ২০৫ রান। ওপেনার পিনাক ঘোষ ৫৩, সানাজমুল ইসলাম ৪০, সোহাগ গাজী ৩২ এবং জাকের আলী করেন ২৮ রান।
অভিষেক দাস ও আব্দুর রশিদ নেন তিনটি করে উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন আলিস আল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ওল্ড ডিওএইচএস ইনিংসের এক ওভার আগে ২৩০ রানে গুটিয়ে যায়। শুরুর তিন ব্যাটসম্যানই পান রানের দেখা। আনিসুল ইসলাম ইমন ৫৯, রাকিন আহমেদ ৪৮ ও মাহমুদুল হাসান জয় করেন ৩৫ রান।
সোহাগ গাজী নেন তিনটি উইকেট। আল-আমিন হোসেন ও মো. শহীদ নেন দুটি করে উইকেট। সানজামুল ইসলাম নিয়েছেন একটি উইকেট।
ব্রাদার্সের হার
দিনের আরেক খেলায় প্রাইম দোলেশ্বরের করা ২৩৮ রানের খুব কাছে গিয়ে আটকে গেছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে অলআউট হয়ে ম্যাচ হেরেছে দলটি।
প্রথমে ব্যাট করতে নামা প্রাইমের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান ৫২ রানে ফিরে গেলে দলের হাল ধরেন তাইবুর। এক প্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরিও। ৯৪ বলে ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। আউট হওয়া বাকি সাত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ করেছেন ওপেনার ইমরান উজ্জামান।
তাইবুর হতে পারেননি ব্রাদার্সের ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দীকি। ১২৫ বলে খেলে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে ৯৭ রান করে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। বাকিদের মধ্যে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তুষার ইমরান ছাড়া আর কেউ হাল ধরতে না পারায় দুই বল আগেই অলআউট হয় ব্রাদার্স। ৬৩ বলে ৫১ করেছেন তুষার। প্রথম তিন ব্যাটসম্যানসহ চার উইকেট নিয়ে প্রাইমের সেরা বোলার পেসার রেজাউর রহমান রাজা।









