ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএলের পঞ্চম আসর মাঠে গড়াবে ৪ নভেম্বর। দেশি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি যাতে অংশ নেবে পঞ্চাশের অধিক বিদেশি খেলোয়াড়। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে সবধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট ডিএমপিও। নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা জানানোর পাশাপাশি দর্শকদের শৃঙ্খলা বজায় রেখে ম্যাচ উপভোগের ব্যাপারটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন সংস্থাটির কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বিপিএল আয়োজন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভায় এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ ও বিসিবি’র সাথে সমন্বয় করে সকল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাজ করতে হবে। দলের কর্মী বা সমর্থকরা কোনভাবে মাঠে শোডাউন করতে পারবে না। টিকিট ছাড়া কোন লোক যাতে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিসিবিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সিট প্লানিং অনুযায়ী দর্শকদের নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। নিজ আসন ছাড়া অন্য জায়গায় বসা যাবে না। তাতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত থাকবে।’
‘যেসব হোটেলে খেলোয়াড় থাকবে, সেসব হোটেলে কোন প্রকার ডিজে পার্টি হবে না। হোটেলগুলোতে থাকতে হবে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। থাকতে হবে সিসি ক্যামেরা, আর্চওয়ে, লাগেজ স্ক্যানারসহ মেটাল ডিটেক্টর ব্যবস্থা।’ যোগ করেন আছাদুজ্জামান মিয়া।
বহিরাগত অতিথি খেলা চলাকালীন সময় খেলোয়াড়দের সাথে দেখা করতে তাদের হোটেল রুমে যেতে পারবে না বলেও জানান আছাদুজ্জামান মিয়া। প্রয়োজনে হোটেল লবিতে দেখা করতে হবে। হোটেলে বহিরাগতদের গাড়ি পার্কিং যাতে না করা হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে কর্তৃপক্ষকে বলেছেন তিনি।
টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতেও প্রস্তুত থাকবে ডিবি ও পোশাকধারী পুলিশ। বিসিবিকে পর্যাপ্ত ছেলে-মেয়ে ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে বলেছেন তিনি। খেলা ও অনুশীলনের পূর্বে এসবি ও দিয়ে ভেন্যু সুইপিং করার কথা জানানো নয় সভায়। অগ্নি নির্বাপণের জন্য হোটেল ও ভেন্যুতে পর্যাপ্ত ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থার ওপর জোর দেন তিনি। সকলকে সমন্বয় করে একসঙ্গে কাজ করার আহবানও জানানো হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ গোয়েন্দা সংস্থা, বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থা, বিসিবি, ফ্রাঞ্চাইজি টিমগুলোর প্রতিনিধিরা।









