যে অঞ্চলে যে পণ্য উৎপাদন হয় সেখানে সেই ধরনের শিল্প গড়ে তোলার ওপর জোর
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের
গভর্নিং বোর্ডের চতুর্থ বৈঠকে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিযোগকারীরা যাতে
স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারে; সে সুযোগ সৃষ্টি করেছে অর্থনৈতিক অঞ্চল।
দেশের প্রায় সব অঞ্চলে একটি করে হলেও অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রায় একশ’ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে বিপুল কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি লক্ষ্য রয়েছে, ফসলি জমিতে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন বন্ধ করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো।
নতুন করে বেশক’টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এর গভর্নিং বোর্ডের চতুর্থ বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের মানুষের আর্থিক উন্নতি বাড়ছে, ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছে। আর সেকারণেই আমাদের নিজস্ব বাজার তৈরি হচ্ছে পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা আমরা শুরু করেছি।
তিনি আরো বলেন, পাশের দেশগুলো ভারত, নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ আবার অপরদিকে মিয়ারমার, বাংলাদেশ, ভারত, চীন। আমরা এই যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করতে পেরেছি এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রটা অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। এবং ভবিষ্যতে আরো হবে। কাজেই এখানে দেশি-বিদেশি উভয়কারীর বিনিযোগকারীরা এসে স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারে সেই সুযোগটি সৃষ্টি করার জন্য এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
পণ্য উৎপাদন বাড়লে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো স্বাবলম্বী হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শিল্প গড়ে তোলার জন্য বহুমুখীকরণ করা প্রয়োজন। একেক অঞ্চলে একেক পণ্য উৎপাদন হয় যা কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে সেটাও আমাদের নজরে থাকবে। যে অঞ্চলে যে ধরনের পণ্য উৎপাদন হয় সে ধরেনের অঞ্চলে সে ধরনের শিল্প গড়ে উঠে পারে সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে।
এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশি অংশীদারিত্বে ৪৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।









