অনেক সময় জুড়ে কাজ করা হলো, এবার পরিবারকে সময় দিতে চান তিনি। প্রধানমন্ত্রীত্ব মানেই প্রিয়জনদের ত্যাগ স্বীকার- এমনটাই মনে করেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কি। আর সেজন্যই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগের পর নিজের বক্তব্যে জন কি বিগত আট বছরের প্রধানমন্ত্রীত্বকালীন সময়ে কত কি মিস করেছেন সেসব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী ব্রোনাগ অনেক অনেক রাত এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন একা একা পার করেছে। তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিলো এমন সব আয়োজনে আমি উপস্থিতই হতে পারিনি। তাই প্রধানমন্ত্রীত্বের জীবনটা প্রিয়জনদের জন্য বিশেষ করে আমার পরিবারের জন্য বলিদানের জীবন।
শেষ পর্যন্ত বঞ্চিত হওয়া পরিবারটিকে তাদের পাওনা সময় ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জন কি। আর এই পরিবর্তনটা এনেছেন মিসেস কে। তবে কোনো হুমকি দিয়ে নয় বরং অনুরোধ করেই তাকে পদত্যাগ করতে উৎসাহিত করেছেন ব্রোনাগ।
কি এখন নিউজিল্যান্ডেই থাকতে চান এবং পরিবারের প্রতি মনোযোগ দিতে চান।
চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে লম্বা আলোচনা করেন কি। কিন্তু কি’র জবাব, সেটা নিয়ে আমি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে স্বচ্ছন্দবোধ করিনা। স্টেফি এবং ম্যাক্সও টিনএজ ছাড়িয়ে তরুণ হচ্ছে। বাবার চাকরির কারণে তারাও অনেক অনধিকারচর্চা এবং চাপের মুখোমুখি হয়েছে। ওদের সহ্যক্ষমতা অসীম। ব্রোনাগ এবং আমি ওদের জন্য গর্বিত।
জন কি এবং ব্রোনাগের সম্পর্ক সেই হাইস্কুল থেকেই। ১৯৮৪ সালে তারা বিয়ে করেন। জন কির মন্তব্য, রাজনীতির কারণে ব্রোনাগ অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ত্যাগ স্বীকার করেছে। এখনই আমার ক্যারিয়ার থেকে পিছিয়ে গিয়ে বাড়িতে বেশি সময় কাটানোর সঠিক সময়। তবে পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত আমার জন্য মোটেও সহজ নয়। জানিনা এরপর আমি প্রফেশনাল জীবনে আর কি করবো।









