ফরিদপুরের পদ্মা নদীতে মাছের রেণু ধরা পড়ছে। মৌসুমে প্রায় তিন থেকে পাঁচ টন রেণু সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
নদীতে রেণুপোনার অবস্থান খুঁজে বের করতে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে স্থানীয়ভাবে বলা হয় সাভাইরা। তারা জৈষ্ঠ্য থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত সময়ে নদী থেকে প্রাকৃতিক রেণু সংগ্রহ করেন। আগের থেকে পরিমাণ কমে গেছে বলে জানালেন রেণু সংগ্রহকারীরা।
তারা জানান, আগে ২০-৩০ কেজি রেণু পাওয়া যেতো এখন সর্বোচ্চ ২-৩ কেজি রেণু পান। এত কম রেণুতে কাজ চলে না তাদের। পূর্ণিমা, অমাবস্যা ছাড়া আজকাল খুব একটা রেণু সংগ্রহ করা যায় না বলেও জানান তারা। রেণুগুলো হ্যাচারি মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
পদ্মা পাড়ের সিএন্ডবি ঘাটে বসে রেণুর হাট। স্থানীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে রেণু নিয়ে এখানে বিক্রি করতে আসেন তারা । হাজির হন স্থানীয় মৎস ব্যবসায়িরা। তারা বলেন, এই রেণু নিয়ে তারা পুকুরে নিয়ে মাছের পোনা করেন ।
প্রাকৃতিক মৎসাধার থেকে সংগ্রহ করা এসব রেণুর মান ভালো বলেও জানালেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষজ্ঞরাও তা-ই বলছেন।
ফরিদপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, হ্যাচারির রেণুর চেয়ে এ রেণুর উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ উৎপাদন বেশি হবে।






