নাজনীন চুমকি। অভিনয়শিল্পী এবং নির্দেশক। একাধারে কাজ করছেন মঞ্চ ও টিভিতে। তার সফল মঞ্চায়নগুলোর মধ্যে একটি ‘নিত্যপুরাণ’। যেখানে ‘দ্রৌপদী’ চরিত্রে মোট ৪৭ টি মঞ্চায়ন করেছেন তিনি। মঞ্চ এবং সাম্প্রতিক নানা ব্যস্ততা নিয়ে বুধবার চ্যানেল আই ভবনে কথা হলো তার সঙ্গে-
কেমন আছেন?
ভালো আছি…
টিভি পর্দা ও মঞ্চে আপনি নিয়মিত। কিন্তু এই সময়ে মঞ্চে আপনার ব্যস্ততা কেমন?
হ্যাঁ সে তো লেগেই আছে। সাইমন জাকারিয়ার লেখা ‘সীতার অগ্নিপরীক্ষা’ নাটকে আমি একক অভিনয় করেছি। সেটার নির্দেশনাও দিয়েছি আমি। কিছুদিনের মধ্যেই আবার সেটার মঞ্চায়ন হবে।
অনেক বছর তো হয়ে গেল মঞ্চে এখনও কেমন উপভোগ করছেন?
মঞ্চ আমাকে সবসময় টানে। সেই ১৯৯২ সাল থেকে ঢাকার মঞ্চে আমার যাত্রা শুরু আজও চলছে সমানতালে। কিছু কিছু মঞ্চায়ন আমার স্মৃতির দুয়ার খুলে দেয়। তেমনি একটি নাটক ‘লোহা’। ১৯৯৬ সালে অভিনেত্রী নাজমা আনোয়ারের সঙ্গে এই নাটকে আমি একই মঞ্চে কাজ করেছি। এ যেন পরম পাওয়া আমার। ১৯৯৮ সালে ‘বিরসা কাব্য’ নাটকে অনেক বড় এবং সুন্দর একটা টিমের সঙ্গে কাজ করেছি আমি। এছাড়া মাসুম রেজার লেখা এবং নির্দেশনায় ‘নিত্যপুরাণ’ নাটকের সকল কর্মীরা যেন আমরা এক হয়ে গিয়েছিলাম। এই নাটকটি যেন আমাদের সবাইকে সেলিব্রেটি বানিয়েছে।
কিন্তু নিত্যপুরাণের এবারের ‘দ্রৌপদী’তো নতুন মুখ?
হ্যাঁ, এবার ‘দ্রৌপদী’ চরিত্র ফুটিয়ে তুলবেন বন্যা মির্জা। মঞ্চের অনেক পুরোনো একজন কর্মী বন্যা। সে যেকোন চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে মানানসই বলে আমার মনে হয়। শুধু দ্রৌপদী নয়, বন্যার জন্য আমার শুভকামনা সবসময় রয়েছে।
আপনার আরেকটি সফল মঞ্চায়ন তো ‘সূচনা’, সেটি আবার কবে মঞ্চস্থ হতে পারে?
আবুল হায়াতের নির্দেশনায় ‘সূচনা’ নাটকে আমরা মোট ৪ জন আমি, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, মিতা হক, চিত্রলেখা গুহ কাজ করেছি। আশা করছি এ বছরই আবার নাটকটির মঞ্চায়ন করতে পারবো আমরা।
টিভি নাটকের ব্যস্ততা কেমন?
টিভি নাটক, সিরিয়ালে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। বেশ কয়েকটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলের সিরিয়ালে কাজ করছি। বিটিভির সঙ্গেও কাজ করছি।
নতুন কোনো বিজ্ঞাপনে কি কাজ করেছেন?
হ্যাঁ, একটা ব্যাংকের বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি।
ধন্যবাদ আপনাকে চ্যানেল আই অনলাইনকে সময় দেবার জন্য
আপনাকেও ধন্যবাদ।









