চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ডিজিটাল ও গ্রিন ভোটিং সফল হোক

কবির য়াহমদ by কবির য়াহমদ
4:19 অপরাহ্ন 26, জানুয়ারি 2020
in মতামত
A A
ইভিএম

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারের সামনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ এসেছে। ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ভোটারেরা তাদের দুই ‘নগরনেতা’ নির্বাচন করবেন। নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। ইভিএমকে বলা হচ্ছে ডিজিটাল ভোটাধিকার প্রয়োগের যন্ত্র, যদিও এ নিয়ে বিতর্ক আছে। একপক্ষ এই ইভিএমকে নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। ইভিএম নিয়ে আরেক পক্ষের আপত্তি নাই। আপত্তিকারী পক্ষ সরকারি দলের বাইরের, পক্ষ নেওয়া পক্ষ সরকারি দলের। বিরোধী পক্ষের শঙ্কা ইভিএমে ডিজিটাল কারচুপির, যদিও এই ইভিএম পদ্ধতিতে জাল ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই বলে বারবার দাবি করে আসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির আরও দাবি ইভিএম ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব না বলে এই মেশিন হ্যাক করা যাবে না, ফলে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভোটের ফল পালটে ফেলার সুযোগ এখানে নাই।

বাংলাদেশের কিছু স্থানীয় নির্বাচনসহ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু সংখ্যক আসন-কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতির প্রয়োগ ইতোমধ্যেই হয়েছে। এই পদ্ধতিতে হ্যাক করে ফল পালটে দেওয়ার মত অভিযোগ আসেনি। ইভিএমে একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দিয়েছে, এমন অভিযোগ প্রমাণের মত কিছু পাওয়া যায়নি। তবে বড় পরিসরে এর প্রয়োগও হয়নি অদ্যাবধি। তবু এই পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি সরকারবিরোধী দলগুলোর, বিশেষত বিএনপির। এই আপত্তির কারণ মূলত নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের আস্থাহীনতা। কারণ ইভিএমের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসি এখনও কিংবা কখনই রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন করতে পারেনি।

ইসির বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ পক্ষপাতিত্বের। এর সঙ্গত কারণও আছে। স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসি এখনও কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেনি। একাদশ সংসদ নির্বাচনেও ইসির ভূমিকা ছিল হতাশাজনক। তারা সকল দলের জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করে দিতে পারেনি। এই সিটি নির্বাচনেও সেই নিশ্চয়তাও দিতে পারেনি। ফলে ইসির যেকোনো সিদ্ধান্তকে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রথমে সন্দেহের চোখে দেখে। এই সন্দেহ থেকে আলোচনা-সমালোচনা এবং এখানে সমালোচনা সহজাত ও জনপ্রিয় ধারা বলে মানুষ বিশ্বাস করেও বেশি।

ইসির বিরুদ্ধে বিবিধ সমালোচনার জবাবে তাদের যে ভূমিকা নেওয়ার কথা তারা সেটা নিতে পারেনি। ইসি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান এই বিষয়টির প্রতিষ্ঠা অদ্যাবধি হয়নি। ফলে ইসির নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের তকমা কেবল কাগজেকলমেই থেকে গেছে, বাস্তবে হয়নি। এর দায় আছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনারসহ ইসি সচিব এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। রাষ্ট্রের অধীনস্থ কর্মচারী হিসেবে ইসির অনেককেই নিজেদের উপস্থাপনের চাইতে সরকারের অনুগত কর্মচারী হিসেবে নিজেদের প্রমাণে অনেক সময় মরিয়াভাব দেখা যায়। কিছু মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত এই ভূমিকা ইসিকে নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে দিচ্ছে না। ফলে নির্বাচনকালীন নানা অভিযোগ নিষ্পত্তি ঘটনা মূল্যায়নে না হয়ে হয়ে আসছে দল ও প্রার্থীর পরিচয়ভিত্তিক।

নির্বাচন কমিশন-ইভিএমএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচন নিয়ে ইসির বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ ওঠেছিল সেগুলোকে প্রথম দিকে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ইসির শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের নানা বক্তব্যে সেই অভিযোগগুলোকে প্রায় কবুল করা হয়েছে। ইভিএমের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে খোদ সিইসি বলছেন, ‘ইভিএমে ভোট হলে রাতের ভোট বন্ধ হয়ে যাবে।‘ এই ‘রাতের ভোট’ বিষয়টি বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল। সিইসি ইভিএমে নির্বাচনের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে গিয়ে বিগত নির্বাচনের বড় অভিযোগকেই স্বীকার করে নিয়েছেন।

সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ইভিএমে ভোট হচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। বিএনপি যতই আপত্তি করুক তাদেরকে এই পদ্ধতিতে নির্বাচনে আসতে হবে। এই দুই সিটিতে যদি ইভিএমে ভোট হয় তবে সেটা হবে বড় পরিসরে ইভিএমে নেওয়া প্রথম ভোট। এই নির্বাচনে ইভিএমের নির্বাচন নিয়ে সমূহ আলোচনা শেষ হবে বলে মনে করছি।

ইভিএমে হ্যাকিং করে নির্বাচনের ফল পালটে দেওয়া যাবে না- নির্বাচন কমিশনের এই দাবি প্রমাণের ক্ষেত্র হচ্ছে ঢাকার এই ভোট। একজনের ভোট আরেকজন দেওয়া সম্ভব কি না, কিংবা ইভিএম দিয়ে রাতের আঁধারে আগে থেকে ভোট দেওয়া সম্ভব কিনা- এসবেরও প্রমাণ হবে এই নির্বাচনে। ফলে ইভিএম পদ্ধতি বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে এই নির্বাচনে। এই নির্বাচনে মানুষ যদি নিজেদের ভোট দিতে পারে, যদি এখানে কারচুপির পথ বন্ধ হয়ে যায় তবে এই পদ্ধতি আগামীতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে।

আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার যে স্লোগান দিয়েছিল নির্বাচন ব্যবস্থায় তার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের পথে এই নির্বাচন একটা মাইলফলক হতে পারে। ইভিএম প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতির বাইরে ডিজিটাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিকে ‘ডিজিটাল কারচুপি’ বলে আসছে বিএনপিসহ সরকারবিরোধি দলগুলো। এই অভিযোগ যে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তা প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের সামনে।

ইভিএমে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ একদিকে যেমন প্রযুক্তির ব্যবহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে আমাদের এগিয়ে যাওয়া হবে, অন্যদিকে এর মাধ্যমে কাগজের ব্যবহারও কমে যাবে। এটাকে ‘গ্রিন ভোটিং সিস্টেম’ বললেও অত্যুক্তি হবে না। কারণ এই পদ্ধতিতে ভোট নেওয়ার মাধ্যমে ব্যালট পেপার মুদ্রণের প্রয়োজন পড়বে না। এই গ্রিন ভোটিং সিস্টেম আমাদের পরিবেশের জন্যেও সহায়ক হবে।

ইভিএম নিয়ে এই আলোচনা-সমালোচনা, সন্দেহ, সমর্থন-আপত্তি যা কিছুই থাকুক তার অবসান হতে পারে প্রযুক্তির সৎ ব্যবহারের মাধ্যমে। আমরাও মুখিয়ে আছি বড় পরিসরে এই পদ্ধতির প্রয়োগ ও এর ফল দেখতে। এখানে ইসি যদি সফল হয়, এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সকল নির্বাচনে এর প্রয়োগ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে এর ব্যবহার হতে পারে। এটা তাই বড়ধরনের পরীক্ষা ক্ষেত্র ইসির। এখানে তাদের ব্যর্থ হওয়া যাবে না। এখানে তারা ব্যর্থ হলে ইভিএম পদ্ধতিই ব্যর্থ হয়ে যাবে।

যন্ত্র মানুষ তৈরি করে। যন্ত্রকে যন্ত্রের মত কাজ করতে দেওয়া না দেওয়াও নির্ভর করে সেই মানুষের হাতেই। এখানে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তা না হলে সব প্রচেষ্টাই বৃথা হয়ে যাবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন ইভিএমে কীভাবে নেওয়া হচ্ছে, কী এর ফল, ইসির কী ভূমিকা, ইভিএম কি কারচুপি রোধে ভূমিকা রাখতে পারে- এর সব উত্তর এই নির্বাচনে পাওয়া যাবে বলে। ইভিএম নিয়ে সকল আলোচনা-সমালোচনা-সন্দেহের অবসান হতে পারে এই নির্বাচন।

সকল পর্যায়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ডিজিটাল ও গ্রিন ভোটিং সিস্টেমের সাফল্য কামনা করি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: ডিজিটাল
Previous Post

প্রধানমন্ত্রীর রান্না করা খাবার সাকিবের বাসায়

Next Post

শেষটা জয়ে রাঙাতে চায় বাংলাদেশ

Next Post
বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা মাঠে ব্যাট হাতে প্রস্তুত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

শেষটা জয়ে রাঙাতে চায় বাংলাদেশ

ঝুমুর সিনেমা হলের নতুন সাজে চট্টগ্রামে দর্শকদের জন্য প্রস্তুত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

চট্টগ্রামে ৫ বছর পর নতুন নামে খুলছে ঝুমুর সিনেমা হল

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT