কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও শ্রীলঙ্কাকে এক উইকেটে হারিয়ে দুই শূন্যতে সিরিজ জয় করল পাকিস্তান। এ জয়ের মাধম্যে টি- টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বর থেকে তিন এ পৌছাল পাকিস্তান। রেটিং পয়েন্টে ১১৭ থেকে ১২১ এ উন্নীত হয়েছে আফ্রিদীর দল।
শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৭৩ রানের জবাবে পাকিস্তান চার বল হাতে রেখেই নয় উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে।
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা সাত উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে। মাত্র দ্বিতীয় ওভারেই দিলশানকে ব্যক্তিগত ১০ রানে হাফিজের হাতে জমা করে সাজঘরে ফেরান পেসার আনোয়ার আলী। দলীয় ৩২ রানে কুশল পেরেরাকে সরাসরি বোল্ড করেন বহুদিন পর দলে ফেরা শোয়েব মালিক। তবে অভিষিক্ত শ্রেহান জয়াসুরিয়ার ৩২ বলে ৪০ রান ও শেষের দিকে চামারা কাপুগেদারার ২৫ বলে চার ছয় ও দুই চারে অপরাজিত ৪৮ রান লঙ্কানদের বড় পুঁজি গড়ে দেয়। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে শোয়েব মালিক দুটি, আনোয়ার আলী, মোহাম্মদ ইরফান, শহীদ আফ্রিদী ও সোহেল তানভীর প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেয়।
জবাবে ৪০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের পরাজয় যখন হাতছানি দিচ্ছে তখন দলের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভাব হয় কাপ্তান শহীদ আফ্রিদী। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে মূল্যবান ৬১ রান যোগ করেন তিনি। দলীয় ১০৭ রানে জয়সুরিয়ার বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২২ বলে চার ছয় ও এক চারে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন বুম বুম আফ্রিদী। গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারতো। কিন্তু টেল এন্ডার আনোয়ার আলি যেন পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন আফ্রিদীর মতো কিছু একটা করার। তার ১৭ বলে চার ছয় ও তিন চারে ৪৬ রান পাকিস্তানের জয়ে বিরাট ভূমিকা রাখে। জয় থেকে ১১ রান দূরে থাকতে আনোয়ার আউট হলেও চার বল বাকি থাকতে বিশাল এক ছয় মেরে জয় উদযাপনে মাতেন ইমাদ ওয়াসিম ও তার সঙ্গীরা। অলরাউন্ডিং নৈপ্যূর্ণ্যরে জন্য ম্যাচ সেরা হন আনোয়ার আলি ও সিরিজ সেরা হন শোয়েব মালিক।






