বাংলাদেশ দল যেদিন গলে পা রাখল, বরণ করে নিতে ঝরঝরিয়ে নামল ঝুম বৃষ্টি। পরে সেভাবে আকাশের গোমড়ামুখ নজরে পড়ল না। টেস্টের প্রথম দুদিন পুরো খেলাই হলো। তৃতীয় দিনটি অবশ্য একইরকম থাকল না। রোদ ঝলমলে দিনের শেষভাগে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মতই অশান্ত হয়ে পড়ল আকাশ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, চতুর্থদিনের মাঠের লড়াইয়েও বাগড়া দিতে পারে ভারীবৃষ্টি।
গলে তৃতীয় দিনে সম্ভাব্য ৩৯ ওভার খেলা হয়নি। লাঞ্চের পর থেকেই আকাশ মেঘলা হতে শুরু করে। জমতে থাকা মেঘ শঙ্কায় রূপ নেয় চা বিরতির সময়। এসময় তো বৃষ্টির শঙ্কায় মাঠের কিছু অংশ ঢেকেই রাখতে হলো। তখন অবশ্য খেলা থামাতে হয়নি। বাংলাদেশ গুটিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতিটা আর সেরকম থাকল না, ভারী বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল আকাশ। আধা ঘণ্টার মত অপেক্ষার পর আম্পায়াররা দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ করতে বাধ্য হন।
শ্রীলঙ্কার স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, শুক্রবার চতুর্থদিনেও বিভ্রাট ঘটাতে প্রস্তুত বৃষ্টি। সকালে খেলা শুরুর প্রথম দুঘণ্টা ঝলমলে রোদের কথাই বলা হচ্ছে পূর্বাভাসে। এরপরই ভারী বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা। সেটি অবশ্য থেমে থেমে।

শুরুতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে বৃষ্টির পর আবারো ২টার দিকে সম্ভাবনা। মাঝের সময়টাও নির্ভার থাকার সুযোগ নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে সূর্যকে আড়াল করার পূর্বাভাস জানাচ্ছে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর। বিকেলের সেশনেও নিস্তার মিলছে না। সেসময়ও টাইগারদের বোলিংয়ের সঙ্গী হতে পারে রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি।
এতো গেল আবহাওয়ার পূর্বাভাসের কথা। সেটা না হলে খেলার পূর্বাভাস বলছে চতুর্থ দিনে কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে। লঙ্কানদের প্রথম ইনিংসে তোলা ৪৯৪ রানের জবাবে সফরকারীরা থেমেছে ৩১২ রানে। এখনো ১৮২ রানে পিছিয়ে। রানের বোঝা মাথায় নিয়ে পঞ্চমদিনে ব্যাটিংয়ে নেমে ম্যাচ বাঁচাতে হলে লঙ্কানদের লম্বা সময় ব্যাট করাতে হবে। সঙ্গে লাগাম দিতে হবে রানের চাকায়। নয়তো সুযোগের সিরিজ শুরু হতে পারে সুযোগ-ছুঁড়ে আসার মধ্য দিয়ে। শুক্রবার দিনের খেলা নির্ধারিত সময়ের পনেরো মিনিট এগিয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ১৫মিনিটে শুরু হবে বলে ঠিক করেছেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।









