সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে রাজধানীর বনশ্রীতে গৃহপরিচালিকা লাইলীর মৃত্যুরহস্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে গৃহকর্তা ও দারোয়ান ছাড়াও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার ওয়ার্ড যুবদল নেতাসহ বিএনপি-জামায়াতের ৪ নেতাকর্মীকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল অপরাধ বিভাগের এডিসি এস এম শিবলী নোমান বলেন, বনশ্রী জি ব্লক ৪ নম্বর রোডের যে ফ্লাটে গৃহকর্মী লাইলীর রহস্যজনক মৃত্যু হয় ব্যবসায়ী মুন্সী মাইনুদ্দীনের ওই ফ্লাটের ভেতরের অনেকটা অংশ রয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। তার অসুস্থ স্ত্রী বিছানায় শুয়ে ওই সিসি ক্যামেরা মনিটর করতেন। ক্যামেরার ফুটেজ দেখে লাইলীর মৃত্যুর বিস্তারিত বুঝা যেতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
তিনি আরো বলেন: গৃহকর্তা ও দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদে চেষ্টা চলছে বিস্তারিত জানার। গাড়ী পোড়ানোসহ নাশকতার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে পুলিশের করা মামলায় গ্রেফতার ওয়ার্ড ও থানা বিএনপি-জামায়াতের ৪ নেতাকর্মীকেও রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শিবলী নোমান আরো জানান, গৃহকর্তা মুন্সী মাইনুদ্দীন তাদের কাছে দাবি করেছেন, তিনি শুধু ফাঁসিতে ঝুলে থাকা লাইলীর গলার ওড়না কেটে তাকে নিচে নামিয়েছেন। বাসার দারোয়ান তোফাজ্জল হোসেন টিপুও কিছু না জানার দাবি করেছেন।
মৃত্যুর কারণ জানতে লাইলীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা কয়েকটি উপাদান পরীক্ষার জন্যে সিআইডি এবং ভিসেরা নমুনা পরীক্ষার জন্যে মহাখালী রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার সকালে বনশ্রীর জি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাসার নিচতলায় গৃহকর্তা মইনউদ্দিনের বাসায় গৃহকর্মী লাইলীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বাসার সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লাইলীকে হত্যা করা হয়েছে- স্বজনদের এমন অভিযোগের পর ওই বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়ান বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:









