‘স্মরণের আবরণে মরণেরে রাখি ঢেকে’ স্লোগানে স্মরণ সভা, চিত্র প্রদর্শনী ও শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক ও চিত্রশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। আজ মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আর্য চলচ্চিত্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়েজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খালিদ মিঠুর স্ত্রী কনকচাঁপা চাকমা, আবুল বারাকাত, গাজী রাকায়েত, বিপাশা হায়াত, আব্দুল মালেক, মুস্তাফা মনোয়ার প্রমুখ।
তাকে স্মরণ করতে গিয়ে মুস্তাফা মনোয়ার বলেন, ‘খালিদ মাহমুদ মিঠু ছিলেন আমুদে শিল্পী। কাজের পরিবেশকে আনন্দময় করে তুলতেন নিমিষেই। তার চিত্রকর্মের গভীরতা আমাকে মুগ্ধ করে। সে পুরো পরিবার নিয়ে শিল্পসাধনায় মগ্ন থেকেছে।’
খালিদ হাসান মিঠুর বন্ধু আব্দুল মালেক বলেন, ‘খালিদ মাহমুদ মিঠুর জীবনটাই একটা ক্যানভ্যাস। যাতে মণি-মুক্তা ছড়ানো ছিটানো। রত্ন ভাণ্ডারে পরিপূর্ণ। নতুন প্রজন্ম এই ক্যানভ্যাস থেকে মণি-মুক্তা নিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারবে।’

মিঠুর স্ত্রী কনকচাঁপা চাকমা বলেন, ‘নগর রক্ষার দায়িত্ব যাদের ওপর, তারা একটু দায়িত্ববান হলে মিঠুকে অকালে চলে যেতে হতো না। মিঠুর প্রস্থান পরিবারের নয় বরং পুরো দেশের ক্ষতি।’
স্মরণ সভার শেষে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। এরপর চারুকলার জয়নুল গ্যালারিতে খালিদ হাসান মিঠুর আঁকা ২৫টি চিত্রকর্ম ও ১৪টি আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
২০১৬ সালের ৭ মার্চ ধানমন্ডিতে এক দুর্ঘটনায় নিহত হন খালিদ হাসান মিঠু। তিনি ‘গহীনে শব্দ’ ও ‘জোনাকির আলো’ নামে দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।









