মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি পুরো প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেটের আংশিক নির্বাচনও হয়েছে। ট্রাম্পের বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে এ দুটি নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য নেতিবাচক ফলাফলের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কংগ্রেসে রিপাবলিকান একক অাধিপত্যের অবসান হতে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে । বুথ ফেরত জরিপ বলছে, সিনেটে জয় পেতে যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা।
প্রেসিডেন্ট নির্বানের পাশাপাশি সিনেটের ৩৪টি আসনের নির্বাচনেও ভোট দিয়েছেন মার্কিন ভোটাররা। সেই সঙ্গে কংগ্রেসের ৪শ’৩৪টি আসনে প্রতিনিধি নির্বাচিত করতেও ভোট দিয়েছেন তারা, যাকে বলা হয় ডাউন ব্যালট রেস।
সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ১শ’ সদস্যের সিনেটের মধ্যে ৫৪টি আসন নিয়ে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। ৫শ ৩৪ আসনের কংগ্রেসেও নিয়ন্ত্রণ ছিলো রিপাবলিকানদের।
আগামীতে নতুন প্রেসিডেন্ট কতটা নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারবেন তা অনেকটা নির্ভর করবে সিনেট এবং কংগ্রেসে কোন দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে তার উপর। সিনেট এবং কংগ্রেসে যদি নিজ দলের নিয়ন্ত্রণ থাকে তাহলে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ হবে।
সিনেট এবং কংগ্রেসে রিপাবলিকান অধিপত্যের অবসান হতে যাচ্ছে বলে যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে সে পথ ধরে যদি হিলারি ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তাহলে তাকে বারাক ওবামার মতো সমস্যায় পড়তে হবে না। তবে কংগ্রেস এবং সিনেটে ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে তাকে।









