ভারতের শিলং এবং গুয়াহাটিতে সাউথ এশিয়ান গেমসের দ্বাদশ আসর বসছে ২০১৬’র ফেব্রুয়ারিতে। টুর্নামেন্ট সামনে রেখে বছর খানেক আগেই শুরু হয় বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয়া দলগুলোর প্রস্তুতি। বাংলাদেশ নারী ফুটবল শুরু করেছে তাদের তিনমাসের অনুশীলন ক্যাম্প।
নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৯৮৪ সালে প্রথমবার হয় এসএ গেমস। প্রায় ২০ বছর পর তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ টুর্নামেন্টের আয়োজক ভারত। ২৩ ডিসিপ্লিনের ২২টিতেই অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। এশিয়ার অলিম্পিক নামে খ্যাত এসএ গেমসে স্বর্ণপদকসহ একাধিক পদক জয়ের লক্ষ্যে প্রস্তুতিটা বেশ দীর্ঘ মেয়াদী।
এসএ গেমসে নারী ফুটবল ইভেন্ট যোগ হয় ২০১০ এ। সেবার তৃতীয় হলেও এখন পর্যন্ত স্বর্ণপদক জেতা হয় নি বাংলাদেশের। তাই আগে-ভাগেই ঘরোয়া লিগ থেকে বাছাইদের শুরু হয়ে গেছে অনুশীলন।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ গোলাম রাব্বানি ছোটন বলেন, রুট লেভেল থেকে খেলোয়াড় আসার কারণে আমাদের টিম সমৃদ্ধ হচ্ছে। ৩৫ জন খেলোয়াড় থেকে ২৮ জন করেছিলাম। এরপর ২৮ জন থেকে ২৪ জনে এনেছি।
কোচ আরো বলেন, শেষ এস এ গেমস এ আমরা নেপালের সঙ্গে ১-০ গোলে হেরেছিলাম। এবার আমরা নেপালকে হারাবো। সাম্প্রতিক জরিপে এশিয়ার ৭ নারী ফুটবলারের মধ্যে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের সানজিদা আখতার। দলে আছেন সাবিনার মতো অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড। শক্তিশালী নেপালকে হারানোর প্রস্তুতিতে তৈরি হচ্ছেন উদীয়মানরাও।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ডিফেন্ডার মাইনু মারমা বলেন, এখনো আমাদের সময় রয়েছে। কোচ যেভাবে কোচিং করাচ্ছে আমরা সেগুলো ঠিক মতো করতেছি।
আরেক ডিফেন্ডার সুরভী আক্তার ইতি বলেন, নেপাল ইন্ডিয়া সঙ্গে আগেও খেলেছি। এবার নেপালকে হারিয়ে আমরা ফাইনাল খেলবো।
জর্ডান, আরব আমিরাতের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সাফল্য প্রেরণা যোগাচ্ছে ক্যাম্পের ২৪ ফুটবলারকে। সাউথ এশিয়ার আট দেশের মধ্যে পদক জয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পাঁচে। শীর্ষ তিন দেশ ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকলেও আপাতত নেপালকেই মূল প্রতিপক্ষ মানছে বাংলাদেশ।






