বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে সহিংসতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪ পুলিশসহ কমপক্ষে ৯৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন কয়েক শতাধিক।
রোববার ৪ আগস্ট সকাল থেকেই রাস্তায় নামে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এছাড়া রাস্তায় অবস্থান কর্মসূচী পালন করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ছাত্রলীগ-যুবলীগের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে নরসিংদীর মাধবদীর চরদিঘরদী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ নিহত হন ৬ জন। ফেনীতে আওয়ামী লীগ ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়। এছাড়া সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশ সদস্যসহ ১৫, বগুড়ায় ৫, রংপুরে ৪, মাগুরায় ৪, কিশোরগঞ্জে ৩, পাবনায় ৩, ঢাকায় ২, সিলেটে ২, মুন্সিগঞ্জে ২, জয়পুরহাটে ২, ভোলায় ১, কক্সবাজারে ১জন, কুমিল্লায় ১ ও বরিশালে ১ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকে তিনদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের এক দফা দাবিতে ডাকা অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে জঙ্গি হামলার সতর্কতা জানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়েছে।









