ঈদুল আজহার প্রথম দিন চামড়ার সরবরাহ থাকলেও ন্যায্য দাম পাননি মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। ঈদের দ্বিতীয় দিনে দাম ২ থেকে ৩শ টাকা বাড়িয়েও প্রত্যাশা অনুযায়ী চামড়া মেলেনি লালবাগের মোকামগুলোতে। আড়তদাররা বলছেন, গতবছরের চেয়ে এবার পশু জবাই কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কমেছে। অবশ্য হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন নেতাদের দাবি, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী পোস্তায় লাখখানেক চামড়া সংগ্রহ হবে। তবে ছাগলের চামড়া এবং গরু-মহিষের মাথা ও শিং বেচাকেনার সাথে জড়িতদের মাথায় হাত, কারণ ক্রেতা মিলছে না।








