জামায়াত ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নিজের সহযোদ্ধাদের প্রতি যাদের ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নাই, তারা নাকি জনদাবির প্রেক্ষিতে লংমার্চ করতে যাচ্ছে!
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ। সেখানে সহযোদ্ধার প্রতি জামায়াতে ইসলামির অবহেলার কথা উল্লেখ করে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া করি। তবে একটা জিনিস খুবই খারাপ লাগল, সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন সময়ে তিনি অসুস্থ হওয়ার পরে তার প্রতি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের যে সহানুভূতি দেখানো দরকার ছিল, সেটা পরিলক্ষিত হয়নি। এমনকি ২ জন সিনিয়র নেতা তাকে ধরার পর সাথে সাথে অন্যদের কাছে হ্যান্ডওভার করে এবং তারা আবারও সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে যায়। এই দৃশ্য দেখে মনে হলো, সহযোদ্ধাকে রক্ষা করে হাসপাতালে নেওয়ার চেয়ে তাদের মিডিয়া ফুটেজ আগে দরকার। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার প্রতি সবার কেমন যেন একধরনের অবহেলা পরিলক্ষিত হলো!
রাশেদ খানের মতে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্য এই অবহেলা আরও স্পষ্ট হলো! তিনি বলে উঠলেন, অসুস্থ? তাকে চেয়ারে বসতে দাও! তার (সেক্রেটারি জেনারেলের) বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হলো হামিদুর রহমান আযাদ ভাইয়ের কিছুই হয়নি! অথচ এমন অবস্থায় সংবাদ সম্মেলন বন্ধ করে আগে হামিদুর রহমান আযাদ ভাইকে সকলে ধরে হাসপাতালে নেওয়া দরকার ছিল! কিন্তু সেই দরদ দেখাতে সকলেই ব্যর্থ হলো। নিজের সহযোদ্ধাদের প্রতি যাদের ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নাই, তারা নাকি জনদাবির প্রেক্ষিতে লংমার্চ করতে যাচ্ছে!
তিনি আরও বলেন, আজকে নারায়ণগঞ্জে একজন জামায়াত নেতাকে আওয়ামী লীগ কুপিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। কিন্তু সেটি নিয়ে কোন প্রতিবাদ আছে? মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগ ১৬ বছরে কোন অপরাধ করেনি, ৬ মাসের বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের থেকে বেশি অপরাধ করে ফেলেছে!









