চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সাংবাদিকের কলমকে থামানো যায় না

হাসিনা আকতার নিগার by হাসিনা আকতার নিগার
1:24 অপরাহ্ন 30, আগস্ট 2026
in মতামত
A A
একজন লেখকের কলমে ফুলের মতো সৃজনশীলতা ফুটে উঠছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

“তোমরা লেখবা, আমরা পিডামু।” এমন কথা কি নতুন বাংলাদেশের হতে পারে? প্রশ্ন করাটা হয়তো বা অবান্তর মনে হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির ধারাবাহিকতায়। সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা, এমনকি হত্যা নতুন কিছু নয়। কারণ, এ দেশের রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থায় সংবাদ ও সাংবাদিক কখনোই স্বাধীন নয়। সাংবাদিকের কলমকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেনি এমন কোনো সরকার অতীতে ছিল না, আর বর্তমান-ভবিষ্যতে হবে না, এটা হলফ করে বলা যায়। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের সাংবাদিকতার কালো আইন থেকে শুরু করে আজ অবধি নানাভাবেই সরকার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের অবদমনের চেষ্টা করছে।

আর এ পথে চলতে গিয়ে সাংবাদিকরা যে গতিপথ হারিয়েছে, তাও অস্বীকার করার কোনো জো নেই। বাক্‌স্বাধীনতার বিশেষ একটা স্তম্ভ হলো সাংবাদিকদের কলম। সে কলমকে বলেই কি থামানো যায়, নাকি কেউ থামাতে পেরেছে? এখন প্রশ্ন হলো, যে কলম নিয়ে সাংবাদিকদের এত অহংকার, সেই কলম কেন রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার কাছে বিক্রি হয়ে যায়? কেন তার দলীয় লেবাস ধারণ করে? উত্তর একটাই, অর্থ আর ক্ষমতার মোহ।

সংবাদপত্র একটি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের পক্ষ থেকে বিশাল ভূমিকা রাখে। তাই সংবাদপত্রকে বলা হয় সংবিধানের পঞ্চম স্তম্ভ। এখন কথা হচ্ছে, যে সংবাদপত্র ও সাংবাদিক দেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, সেই মাধ্যমটি কি সঠিক পথে কাজ করতে পারছে নতুন বাংলাদেশের সময়ে? ঠিক যতটা আশা করা হয়েছিল, ততটা নয়। কারণ এ সরকারের আমলে গণমাধ্যমে এক ধরনের আকাল চলছে বিজ্ঞ সাংবাদিকদের। কারণ সবাইকে গণহারে ফ্যাসিস্টের দোসর বানিয়ে দিয়েছে ইউনূস সরকার থেকে এখন অবধি। তাই বিএনপি সরকার, বিরোধী দল, জনগণ বনাম সংবাদমাধ্যম, আলোচনাটি এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সাংবাদিকদের দলীয় পরিচয়ের ভয়াবহতা কতটা ভয়ংকর, তার প্রমাণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পূর্বে ও পরবর্তীতে দৃশ্যত। এটা সাংবাদিকদের জন্য যেমন শিক্ষা, তেমন রাজনৈতিক দলগুলোর জন্যও।

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে সাংবাদিকতায় আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কিছুই ছিল না বলা হয়ে থাকে। এ কথা যে কেবল সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে, তা কিন্তু নয়। প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে একই আলাপ। তবে সাংবাদিকতার নীতিজ্ঞান বিসর্জন দিয়ে যারা বিত্তশালী হচ্ছে, তাদের দিয়ে সব সাংবাদিকদের বিচার করাটা ভুল। যখন একজন মানুষের পেশাই হলো সাংবাদিকতা, সেখানে সে পেটের দায়ে বা সংসার পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানের নীতির বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারে না বা করাটা অসম্ভব। বিগত ১৬ বছরে সারা দেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া কি আর কিছু ছিল?

এখন যেমন বিএনপি ছাড়া কিছু নেই। তাই গণহারে ফ্যাসিস্টের ট্যাগ লাগিয়ে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা সম্পূর্ণভাবে অযৌক্তিক। আবার বিগত সময়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে যখন ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তখন ব্যবসায়ীরা মিডিয়াকে ব্যবহার করছে তাদের বেআইনি কাজের অস্ত্র হিসেবে। বিশেষ করে ১/১১-এর পর ব্যবসায়ীরা বুঝতে পেরেছে, একটা সংবাদ প্রতিষ্ঠান থাকলে তারা অনেক কিছু থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে। কারণ সংবাদমাধ্যম তাদের সরকার থেকে সুবিধা নিতে সুযোগ করে দেয়।

তাই ১/১১-এর পর দেশের বহু নামকরা প্রতিষ্ঠান নিজেদের স্বার্থে নামে-বেনামে মিডিয়া ব্যবসায় যুক্ত হয়। আর বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সে সব সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থে। ব্যবসায়ীরা তাদের সংবাদপত্র আর টিভি চ্যানেলের পরিচালক, এডিটর হিসেবে সরকারি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের নিয়োগ দেয়। এতে করে উভয় পক্ষের লাভ হয়। কারণ প্রিন্ট আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্তাব্যক্তিটি ব্রিজ হিসেবে কাজ করে সরকার ও ব্যবসায়ীর জন্য। সেখানে কর্মরত অন্য সাংবাদিকরা তাদের কাজটি করে পেশা হিসেবে। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের কর্তারা এখন বিদেশে আছে, আর দেশে থাকা ছা-পোষা সাংবাদিকদের চাকরি থেকে গণহারে বিতাড়িত করেছে ইউনূস সরকারের আমল থেকে এখন অবধি ফ্যাসিস্টের ট্যাগ লাগিয়ে।

ব্যবসায়ীরা রাতারাতি নিজেদের বাঁচাতে তাদের মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা তুলে দিয়েছে বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির হাতে। বিগত সরকারের সময়ে যেসব সাংবাদিক আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই পালিয়ে গিয়ে বিদেশে হয়তো ভালোই আছে।

আর যে কজন কারাবন্দী আছে, তাদের মামলাগুলো কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে কথা বলা উচিত নয় আইনের বিধি হিসেবে। তবে এ বন্দী সাংবাদিকরা কী করে হত্যা মামলার সঙ্গে যুক্ত, সে হিসাবটা মেলানো কঠিন। এ যেমন এত বছর পর বলা হচ্ছে, সাগর-রুনি মামলার কারণ পাওয়া গেছে। আর তা হলো বিডিআর হত্যা সহ সরকারি কাজের নথিপত্র সংক্রান্ত। এটা তো শোনা কথা। মামলার গভীরে গিয়ে সত্যতা আনাটা এতই সহজ হবে না, যেমন হচ্ছে না বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়ে। সাগর-রুনি মামলায় তদন্ত এখন কেবল সংখ্যা মাত্র। কেউ ভাবে না, একজন সাংবাদিক এমন বিশেষ কোনো ব্যক্তির তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেছিল, যার জন্য তাকে সহ তার পরিবারকে এভাবে শেষ করে দিয়েছে। সাগর-রুনির ছেলের এ পৃথিবীতে আপন বলে কেউ নেই। কতটা ক্ষত সে বয়ে বেড়ায়।

সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়ে নিজের কলমকে বিবেকের হাতিয়ার মনে করা খুব সহজ কাজ নয়। আর তাই একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ভেবে দেখুন, আজ যাদের ফ্যাসিস্টের ট্যাগ দিয়ে চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তারা কি সত্যি সকলে মানসিকভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিল? নাকি জীবনের প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে কাজ করেছে। একটা দীর্ঘমেয়াদি সরকার শুধু রাজনৈতিক ক্ষতি করে না, বরং সবচেয়ে কঠিনভাবে ক্ষতি করে প্রশাসন, বিচার, সংবাদমাধ্যমসহ সকল ক্ষেত্রে। আজ যারা নিজেদের বিএনপি বলে নানা জায়গায় প্রভাব বিস্তার করছে, বিগত সময়ে তারা কি কাজ করেনি, নাকি বিগত সময়ের সরকারবিরোধী দল বিএনপি বা অন্যান্য সংগঠন তাদের সংসারের দায়ভার নিয়েছিল? উত্তরটা দেওয়া এতটা সহজ নয়। তাই সরকার চাইলেও প্রশাসন বা পুলিশ থেকে সহজে সবাইকে সরিয়ে দিতে পারে না, আর পারবেও না। অনেকটা সেই প্রবাদের, “লোম বাছতে বাছতে কম্বল উজাড় হয়ে যাবে।”

তবে বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের যে চাটুকারিতা নেই, তা কিন্তু নয়। সবই একই আছে বলে বিএনপি নেতারা বলতে, “তোমরা লেখবা, আমরা পিডামু।” এ কথাটা একজন সচেতন সাংবাদিকের কাছে কতটা অপমানজনক, তা মনে হয় এ সমাজ, দেশ ও সরকার বুঝতে পারে না। আর দলবাজ সাংবাদিকরা এ নিয়ে কথা বলছে না। কারণ বিএনপি থেকে তারাও ফায়দা নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এসব দেখে মনে হয় না কোনো কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। কেবল চেহারার বদল হয়েছে বলে মিডিয়াতে চলছে দখলের রাজনীতি, আর এ পথে বিএনপি হাঁটছে কিছু তেলবাজ সাংবাদিকদের কথায়।

যা সরকার এবং দলের জন্য কতটা ভয়ংকর হয়, তার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আচরণের পরিবর্তন হয় না। বলা হয়ে থাকে, বর্তমান সরকারের আমলে তথ্য ও গণমাধ্যম স্বাধীন। আসলে কি তাই? সরকারের সমালোচনা করতে হয় নমনীয় ভাষায়, সত্য কথা লিখলে চলে হুমকি-ধমকি। আবার প্রতিটি গণমাধ্যমের কর্তাব্যক্তি, এডিটররা হলেন বিএনপিপন্থী। তাদের সখ্যতা হলো বিএনপি ঘরানার সাংবাদিকদের সঙ্গে। নিরপেক্ষদের স্থান আগেও ছিল না, এখনো নেই। এখানে যে বিষয়টি লক্ষ্যণীয় তা হলো, প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সরকারের তথ্য ও গণমাধ্যমের অবস্থাটা খুব দুর্বল। সেটা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাই হোক না কেন। সাংবাদিকদের দলীয়করণ করে ফ্যাসিস্টের সিলগালা লাগিয়ে বিএনপি নিজের ক্ষতিই করছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ দিতে হবে। তা না হলে সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা গড়ে ওঠার মাধ্যম হিসেবে সাংবাদিকরা কাজ করতে পারবে না। আর সে সুযোগে বিএনপির কর্মী-নেতারা অযাচিত অশোভন আচরণ করবে সাংবাদিকদের সঙ্গে।

সাংবাদিকতা কোনো চ্যারিটেবল জব নয়। সামাজিক দায়বদ্ধতার চিন্তাকে মাথায় রেখে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে যারা বেছে নিয়েছে, তাদের প্রতি সরকারের খেয়াল রাখা দরকার। তবে সে খেয়াল রাখতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের মতো আচরণ করা কোনো পক্ষের জন্য সমীচীন নয়। গণহারে টিভির অনুমোদন দিয়ে নিজের স্তুতি করার জন্য বাধ্য করেছে। আজ সাংবাদিকদের যে বেহাল দশা, তার জন্য বিগত সরকারপ্রধান যতটা না দায়ী, তার চেয়ে বেশি দায় তেলবাজ সাংবাদিকরা। প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে সরকার-বেসরকারি সকল মিডিয়াতে দলীয়করণ।

রাজনৈতিক অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু পেশাগত জীবনে এর প্রাধান্য থাকা উচিত নয়। প্রেসক্লাব হলো সকল সাংবাদিকের জন্য। অথচ সেখানে রয়েছে দুটি তালিকা। নির্বাচন হয় রাজনৈতিক সমর্থনের ভিত্তিতে। সাধারণ মানুষ মনে করে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা হলো সরকারের সংবাদমাধ্যম। যদিও তথ্যটা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হলো বাসস। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এতটাই যে, তারাই সংবাদের শিরোনাম হয়ে যায়, তাদের রাজনৈতিক নির্লজ্জতার কারণে। বাংলাদেশ টেলিভিশন আর রেডিও এ ক্ষেত্রে কম যায় না। তাহলে এ ধরনের রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণাবেষ্টিত বাংলাদেশ তথ্য ও গণমাধ্যমকে কি আসলে স্বাধীন বলা যায়?

দীর্ঘ সময় পর বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। যদিও তারেক জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন। কিন্তু তিনি দেখেছেন জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল। আর দল হিসেবে বিএনপিকে ভাবতে হবে তাদের বিগত সময়ের ভুলত্রুটি নিয়ে। সংবাদজগতে বিএনপির দৈন্যদশা কাটাতে হলে বিজ্ঞ সাংবাদিকদের যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। আজকাল গণমাধ্যম বলতেই সবার সামনে আসে টকশো। তবে এ সরকারের আমলে চ্যানেলগুলো যে উপস্থাপক নিয়ে বিড়ম্বনায় আছে, তা দেখলেই বুঝা যায়। সরকারের প্রেস উইং বলতে কিছু আছে বলে মনে হয় না।

বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতায় একটা অস্থিরতা প্রতীয়মান। কারণ মিডিয়ার মালিকরা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না, কোন পথে তারা হাঁটবে। আর সে অবস্থায় যখন সরকারদল থেকে হুমকি-ধমকি চলে, তখন তারা আরও নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে চায়। মবের এক ধরনের ট্রমা এখনো মানুষের আছে। সমাজে সাংবাদিক ও পুলিশ, এ দুই শ্রেণীকে মানুষ সময়ে ব্যবহার করতেই ভালোবাসে, তারপর সবচেয়ে খারাপ গালিটা দেয় এদেরকেই। তাই বলে কি সাংবাদিক ও পুলিশ কাজ করবে না? লেখা বন্ধ করে দেবে? না, তা হয় না।

একজন সত্যিকারের সাংবাদিক কখনোই দমে যায় না। তাকেই যতই পেটানো হোক কিংবা ফ্যাসিস্ট বলে গালি দেওয়া হোক। লিখতে হবে সমাজ আর দেশের জন্য। এই যে নতুন বাংলাদেশ নিয়ে এত কথা হয়, এ কথাগুলো কি হতো, যদি না শেখ হাসিনার অন্যায়ের প্রতিবাদগুলো মিডিয়াতে না আসত। একটা কথা সকলের মনে রাখা উচিত, মানুষকে শেকল পরানো যায়, কিন্তু বিবেক আর কলমকে নয়। তাই নতুন সরকারকে ভেবে দেখতে হবে, ফ্যাসিস্টের বেড়াজালে সাংবাদিকদের বন্দী করে রাখবে, নাকি সমাজের বিবেক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেবে।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আইয়ের সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: মতামতমিডিয়াসাংবাদিক
Previous Post

আগামী ১০ বছরে যেসব চাকরি দ্রুত বাড়বে, কমবে যেসব পেশায়!

Next Post

ডেঙ্গুতে এ বছর ৯০ মৃত্যু, চিকিৎসা নিয়ে ফিরেছেন আড়াই হাজার রোগী

Next Post

ডেঙ্গুতে এ বছর ৯০ মৃত্যু, চিকিৎসা নিয়ে ফিরেছেন আড়াই হাজার রোগী

ডা. নিয়াজ আবদুর রহমান এপিভিআরএস ২০২৬ সেবা পুরস্কার গ্রহণ করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

এপিভিআরএস ২০২৬ বিশিষ্ট সেবা পুরস্কার পেলেন ডা. নিয়াজ আবদুর রহমান

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT