দীর্ঘ অবকাশ ছুটি কাটিয়ে নিয়মিত বিচারকাজে ফিরেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে আপিল বিভাগের দেয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ১ নম্বরে রাখা হয়েছে। এতে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা কার হাতে থাকবে তা জানা যাবে আজ রোববার (২০ অক্টোবর)।
প্রায় সাত বছর ধরে আবেদনটি সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন। নিষ্পত্তি না হওয়ায় তৈরি হয়েছে নানা সংকট।
১৯৭২ সালে মূল সংবিধানে বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ছিলো। ৭৫ সালে এই ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেয়া হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। জিয়াউর রহমানের আমলে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পদ্ধতি। কাউন্সিলের মাধ্যমের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো।
২০১৪ সালে আবারো এ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ফিরিয়ে নেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ঐ বছরই এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট হয়। হাইকোর্ট সেই সংশোধনী বেআইনি ঘোষণা করেন।
আওয়ামী লীগ সরকার আপিল করলেও সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। ফলে পুনরুজ্জীবিত হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল। এই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে তখনকার সরকার। ঐ রিভিউ পিটিশন গত আট বছরেও শুনানির উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
আওয়ামী লীগ সরকার আপিল করলেও সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। ফলে পুনরুজ্জীবিত হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল। এই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে তখনকার সরকার। ঐ রিভিউ পিটিশন গত আট বছরেও শুনানির উদ্যোগ নেয়া হয়নি।









