ভোরের কাগজের অনলাইন সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশ নিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন প্রচারণা চালানো হয়।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এনইআইআর বাস্তবায়নের সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থেই এনইআইআর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণে বিটিআরসি সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে বৈঠকও করেছে। এরপরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে আমাকে দায়ী করার চেষ্টা করছে—যা অনভিপ্রেত।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে তার (ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব) কোনো ভূমিকা নেই এবং সাংবাদিক কিংবা তার পরিবারের কারও পক্ষ থেকেও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সাংবাদিক মিজানুর রহমানের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বা পেশাগত কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও যে ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেই বাধাগ্রস্ত করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের অসত্য তথ্য প্রচারে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে কেউ যেন আর ভুয়া তথ্যের বিভ্রান্তিতে না পড়েন।









