এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের রচিত ছয়টি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন অব এডুকেশনাল ট্রান্সপারেন্সি (এফইটি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের শিক্ষাবিদ, শিক্ষা প্রশাসক, গবেষক, শিক্ষক, সাহিত্যিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো- অনন্যসম শিক্ষা, খেলার মাধ্যমে শিক্ষা, হ্যাপি স্কুল, শিক্ষা ও উন্নয়ন: বৈশ্বিক উদ্যোগ, মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং ইনক্লুসিভ এডুকেশন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেট নিউজের সম্পাদক ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিরুল ইসলাম কাগজী, ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল হাসান, প্রাথমিক শিক্ষা ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল মাজিদ, শিক্ষা গবেষক মোহাম্মদ শাহ্ আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট (বিআইআইএম) এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এম. আব্দুল মজিদসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা।
বক্তারা বলেন, প্রকাশিত গ্রন্থগুলো প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষকতা, শিক্ষা প্রশাসন, গবেষণা এবং শিক্ষানীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা লেখকের দীর্ঘ গবেষণা, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা উন্নয়নে তার অবদানের প্রশংসা করেন।
নিজের বক্তব্যে মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের বিষয় নয়; এটি একটি জাতির মানবিক, নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। প্রাথমিক শিক্ষাকে যুগোপযোগী, আনন্দময়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করতে গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা, দক্ষ শিক্ষক এবং কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা থেকেই তিনি এই ছয়টি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বইগুলো শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রশাসক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য কার্যকর রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে এবং দেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে। একই সঙ্গে তিনি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি মানবিক ও জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আয়োজক প্রতিষ্ঠান এফইটি জানায়, মানসম্মত, নৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিস্তারে ভবিষ্যতেও তাদের গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।









