ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পথে হাঁটছে পাকিস্তান। প্রথম দুটি হেরে তৃতীয়টিতে হারের দিকেই। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর দলে সাতটি পরিবর্তন আনে সফরকারীরা। ডাক পড়ে সাইম আইয়ুবের, যা তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। ইংলিশদের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনের মতে, এভাবে টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করছে পাকিস্তান।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) থেকে সাইম আইয়ুবকে ডেকে এনে এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে খেলানো হচ্ছে। ম্যাচে আইয়ুব দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। হেডিংলি ও লর্ডসে হারের পর দলে যে সাতটি পরিবর্তন আনা হয়েছিল, তার অংশ হিসেবে আইয়ুবকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। হুসেইন সিদ্ধান্তটির কঠোর সমালোচনা করেছেন।
নাসের হুসেইন বলেছেন, ‘জানি না কে বা কারা মনে করেন যে, ভিন্ন পরিবেশ ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ফরম্যাটে খেলা কোন খেলোয়াড়কে উড়িয়ে এনে এখানকার কন্ডিশনে, বিশেষ করে ডিউক বল এবং অলি রবিনসন আর ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ভালো খেলতে দেখবে। এটি টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান ও অবজ্ঞা করা। যেকোনো ক্রিকেটারই আপনাকে বলবেন যে, টেস্ট ক্রিকেটই হল সবচেয়ে কঠিন ফরম্যাট।’
হুসেইন এই মাঠে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছেন। ২০১১ সালে এজবাস্টনে খেলার জন্য বীরেন্দ্র শেবাগকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল, তিনিও জোড়া শূন্য করেছিলেন। তার মতে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া কোন ব্যাটার যতই দক্ষ বা অভিজ্ঞ হোন না কেন, ইংল্যান্ডে ইনিংসের শুরুতে ব্যাট করাটা কঠিন।
‘ইংল্যান্ডে টপ অর্ডারে ব্যাট করাটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। অথচ মনে করা হচ্ছে যে, বিশ্বের অন্যকোন প্রান্ত থেকে কাউকে উড়িয়ে এনেই বলবে যে শুভ কামনা। মনে থাকলে দেখবেন, বীরেন্দ্র শেবাগও এই মাঠে এমন করেছিলেন। জানি না সেই ম্যাচে খেলছিলেন কিনা। অথচ শেবাগ সাইম আইয়ুবের চেয়ে অনেক ভালো ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ছিলেন। তাই আইয়ুব যে শট খেলে আউট হয়েছেন, তার জন্য কিছুটা দায় যেমন তার নিজের, তেমনি দায় তাদেরও, যারা ভেবেছিলেন যে এটি একটি দারুণ সিদ্ধান্ত এবং তিনি এ সপ্তাহে ভালো খেলবেন।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে, দ্বিতীয়টিতে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। সিরিজের শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে তারা। পরে নেমে ৪৫৩ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনে ২ উইকেট হারিয়ে ৫২ করে পাকিস্তান।









