ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে হোয়াইটওয়াশের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে রেকর্ড ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে নেমে হার সঙ্গী হচ্ছে শান মাসুদের দলের। দ্বিতীয় টেস্টে তাই বড় পরিবর্তন আনল দলটি। বাদ দিয়েছে অভিজ্ঞ তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহকেও রাখা হয়নি।
বর্তমান ফর্ম ও ফিটনেস বিবেচনায় বাবরদের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। মঙ্গলবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের দল দিয়েছে পিসিবি।
বাদের কারণ হিসেবে ফর্মেই ইঙ্গিত নতুন নির্বাচক কমিটির আকিব জাভেদের, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এই বিরতি খেলোয়াড়দের ফিটনেস, আত্মবিশ্বাস এবং সংযম ফিরে পেতে সাহায্য করবে। তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলো নিতে আরও বেশি প্রস্তুত থাকবে। আশা করি তারা আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ফিরেবেন।’
মঙ্গলবার গড়াবে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্ট। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে শান মাসুদের দল ৫৫৬ রান করেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে। গত শুক্রবার হারের কয়েকঘণ্টার মধ্যে পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করেন পাকিস্তান দলের নির্বাচকরা।
২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে কোনো টেস্টে হাফ-সেঞ্চুরি নেই বাবরের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬১ রানের এক ইনিংসের পর তার পারফরম্যান্স গ্রাফ শুধু নিচের দিকেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফ্ল্যাট উইকেটে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৩৫ রান করেন। ২০২৩ সাল থেকে গত টেস্ট পর্যন্ত নয় ম্যাচে বাবরের গড় ২১-এর নিচে।
গতবছর চোট কাটিয়ে ফেরার পর নিজের ছায়া হয়ে আছেন শাহীনও। ২০২৩-এর শুরু থেকে ১১ ইনিংসে ১৭ উইকেট শিকার করেছেন। বোলিংয়ে গতিও কমেছে তার।
২০১৯ সালে নাসিম অভিষেকের পর দুর্দান্ত করছিলেন। বর্তমান দলে ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করা একমাত্র তিনি। ইংলিশদের বিপক্ষে পারফরম্যান্স ছিল আশাহত করার। এক ইনিংসে ৩১ ওভার বল করে ১৫৭ রানে ২ উইকেট নেন।
দ্বিতীয়-তৃতীয় টেস্টের পাকিস্তান দল: শান মাসুদ (অধিনায়ক), সৌদ শাকিল (সহ-অধিনায়ক), আমির জামাল, আবদুল্লাহ শফিক, হাসিবুল্লাহ (উইকেটরক্ষক), কামরান গুলাম, মেহরান মুমতাজ, মীর হামজা, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ হুরায়রা, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), নোমান আলী, সাইম আইয়ুব, সাজিদ খান, সালমান আলী আগা ও জাহিদ মেহমুদ।









