ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পরে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজও আলোচনার জন্ম দিয়েছে দেশের নাম নিয়ে। সরকারি নথিতে বদলে গেল তাদের পদের পরিচয়লিপি। তবে ‘তাৎপর্যপূর্ণভাবে’ সরকারি ঘোষণাপত্রে নয়, ভারতের শাসকদল বিজেপির দেওয়া ‘সরকারি তথ্যে’! সংবাদ সংস্থা পিটিআই তা প্রকাশ করেছে।
বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র মঙ্গলবার তার এক্স অ্যাকাউন্টে (টুইটার) প্রধানমন্ত্রী মোদির আসন্ন ইন্দোনেশিয়া সফরের ঘোষণা সংক্রান্ত একটি সরকারি নথি প্রকাশ করেন। সেখানে মোদির পদ লেখা হয়েছে, ‘প্রাইম মিনিস্টার অব ভারত’। যদিও সরকারি প্রথা অনুযায়ী তার পদটিকে ‘প্রাইম মিনিস্টার অব ইন্ডিয়া’ লেখা হয়।
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মোদি ইন্দোনেশিয়ায় যাবেন ২০তম ‘আশিয়ান-ইন্ডিয়া শীর্ষ সম্মেলনে’ যোগ দিতে। সরকারি নথিতে অবশ্য ওই সম্মেলনের নামের ক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়া’ শব্দটি রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক বিভ্রাট এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও সরকারিভাবে এখনও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জি-২০ শীর্ষবৈঠকে অংশ নেয়া বিদেশী রাষ্ট্রনেতাদের কাছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ্যে আসার পরেই আলোচনা শুরু হয়, পার্লামেন্ট তথা লোকসভা ভোটের আগে দেশের নাম শুধুই ‘ভারত’ করতে চলেছে মোদি সরকার। এ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল পাশের জন্যই আগামী ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে বলেও ধারণা করছেন অনেকেই।
রাষ্ট্রপতির ওই আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অব ভারত’। কিন্তু ভারতের রাষ্ট্রপতি কাউকে কোনো চিঠি লিখলে তাতে চিরাচরিতভাবে লেখা থাকে ‘প্রেসিডেন্ট অব ইন্ডিয়া’ কথাটি। এবার প্রধানমন্ত্রীর পদের ক্ষেত্রেও ঠিক একই বদল ঘটায় দেশের নামবদলের আলোচনা আরও দানা বাঁধবে বলে মনে করা হচ্ছে।









