ভারতের আসামে এক নারীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করার অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
পুলিশ জানায়, মইনুল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। তাকে আসামের শিলচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সজল দাস নামে ভুয়া পরিচয়ে শিলচর এলাকায় বসবাস করছিলেন এবং তিনি ছোটখাটো মার্কেটিং ব্যবসা করতেন। তিনি ওই নামে জাল ভোটার আইডি কার্ড এবং আধার কার্ড তৈরি করেছেন বলেও জানায় পুলিশ।
প্রতিবেশীরা জানান, স্থানীয় এক নারীর সাথে তার সম্পর্ক ছিল। ওই নারীকে তিনি তার স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন, যদিও বাস্তবে তারা একে অপরের সাথে বিবাহিত ছিলেন না। ভাড়া বাড়িতে ওই নারী বারবার যাতায়াত করায় এলাকাবাসীর মনে সন্দেহের জন্ম নেয়।
এর আগে রবিবার, ওই নারী যখন তার বাড়িতে আসেন, তখন এলাকাবাসীদের একটি দল মইনুলের মুখোমুখি হন। এ ঘটনায় তর্কে-বিতর্কের এক পর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। এরপর তাকে পুলিশে সোপর্দ হয়।
এই ঘটনায় তদন্ত চলাকালে, পুলিশ কর্মকর্তারা সজল দাস নামে তার জাল পরিচয়পত্র এবং মইনুল ইসলাম নামে আসল কাগজপত্র উভয়ই উদ্ধার করেন।
তার জাল আধার এবং ভোটার আইডি কার্ডগুলো মুর্শিদাবাদ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল নাকি অবৈধ উপায়ে শিলচরে তৈরি করা হয়েছিল, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।









