তামিম ইকবাল চোটে পড়ায় ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লিটন দাস। সিরিজও জিতেছিল দল। এবার সাকিব আল হাসান ছিটকে যাওয়ায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে নেতৃত্ব দেবেন লিটন। বড় দায়িত্বে রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে টাইগারদের কিপার-ব্যাটারকে।
লিটন টেস্ট দলের নিয়মিত সহ-অধিনায়ক। মূল অধিনায়ক না থাকলে দায়িত্ব তার কাঁধে পড়বে এমনটাই স্বাভাবিক। তবে চাউর হয়েছিল ব্যাটিংয়ে মনোযোগী হতে নেতৃত্ব নিতে চান না। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সোমবার লিটন জানালেন, এমন কোনো দোটানা কিংবা সংশয়ে ছিলেন না তিনি।
এরকম কোনকিছুই (দায়িত্ব নিতে দ্বিধা) ছিল না। যখন ভাইস ক্যাপ্টেন্সি করবেন, এমনও হয়েছে যে সাকিব ভাই মাঠের বাইরে গেছেন, তখন আমাকে ১-২ ওভার হলেও অধিনায়কত্ব করতে হয়েছে। এটা নিয়ে তাই চিন্তা হয়নি।’
বুধবার ব্লেজার পরে টেস্টের টস করতে নামবেন লিটন। তখন অনুভূতিটা অন্যরকমই হওয়ার কথা। সেটি নিয়েও বললেন আফগান টেস্টে টাইগার দলপতি।
‘এভাবে কখনো চিন্তা করা হয়নি আসলে। দেখা যাক টস করতে গেলে অনুভূতিটা যদি ওভাবে আসে তাহলে আসতেই পারে।’
‘বিশেষ কিছু না (টেস্ট নেতৃত্ব)। এটা তো অবশ্য একটা ভালো লাগার ব্যাপার কাজ করে। টেস্ট ক্রিকেটকে সবাই প্রাধান্য দেয়। টেস্ট ক্রিকেটার হওয়াটাই অনেক বড় বিষয়। তার মধ্যে দেশের হয়ে অধিনায়কত্ব করা এটা তো অবশ্যই গর্বের বিষয়।’
২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ফতুল্লা টেস্টে অভিষেক হয়েছিল লিটনের। ব্যাট হাতে আলো কেড়েছিলেন শুরুতেই। এরপর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
৮ বছরের এ ভ্রমণ নিয়ে লিটন বললেন, ‘সফরটা খুব সহজ ছিল না। উত্থান–পতন ছিল অনেক। ব্যর্থতা তো থাকবেই, ব্যর্থতা থেকেই শেখা যায়। টেস্ট অধিনায়কত্ব করা গর্বের ব্যাপার। তবে আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য অনেক বড়।’









