চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সংবিধান সংশোধন করে কি ভবিষ্যত স্বৈরতন্ত্র ঠেকানো সম্ভব?

চ্যানেল আই অনলাইন by চ্যানেল আই অনলাইন
6:07 অপরাহ্ন 07, সেপ্টেম্বর 2024
in বাংলাদেশ
A A
বাংলাদেশের সংসদ ভবন, আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, শান্ত পরিবেশ. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদ

গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ‘রাষ্ট্র সংস্কারের’ দাবি তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এমন অবস্থায় এই সংস্কার করতে সবার আগে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শও দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন, এই মুহূর্তে সংবিধান পুনর্লিখন ছাড়া রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব না।

এ বিষয়ে বিবিসি বাংলা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে বিশ্লেষকরা উদাহরণ হিসেবে টানছেন শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন আমলকে।

তারা বলছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী বা সরকার প্রধানকে এমন কিছু ক্ষমতা দিয়েছে যার মাধ্যমে ওই পদে বসে যে কেউ স্বৈরাচারি হয়ে ওঠার সুযোগ পায়।

এক্ষেত্রে সংবিধান পুনর্লিখনে গণপরিষদ গঠনেরও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। সংবিধান পুনরায় লেখার জন্য যারা সবচেয়ে বেশি জোরদার দাবি ও যুক্তি তুলে ধরছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা হলো, দেশকে স্বৈরশাসনমুক্ত করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধানের পুনর্লিখন করতে হবে।’

তাহলে কি সংবিধানে পুনর্লিখন না করে সংশোধন বা রাষ্ট্রের আইনের সংস্কার করে এটি সম্ভব না? এমন প্রশ্নে কেউ কেউ উদাহরণ টানছেন ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের সংস্কারের কথা।

অনেকে মনে করছেন, জোড়াতালি দিয়ে যদি সংবিধান সংশোধন বা আইনের সংস্কার করা হলে স্বৈরতন্ত্র রোধ করা সম্ভব না।

তবে এর পাল্টা যুক্তিও আছে। অনেকে বলছেন, গত পাঁচই অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, নতুন দেশ গঠিত হয়নি। তাই সংবিধান পুনর্লিখনের কোন প্রয়োজন আছে বলে তারা মনে করেন না।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বলেন, ‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে যা যা দরকার তা বর্তমান সংবিধানেই আছে। বিদ্যমান সংবিধান দিয়েই চাইলেই সংকটের সমাধান সম্ভব।’

পুনর্লিখন বা সংশোধন কেন জরুরি?
১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করা হলেও বিভিন্ন সময়ে তা সংশোধন করেছে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দল ও কিংবা শাসকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসার পর গত সাড়ে ১৫ বছরে বিভিন্ন কায়দায় স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে উঠেছিলেন। ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয় তার ইচ্ছাতেই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ক্ষমতা এককন্দ্রেীক করার সুযোগ এমনভাবে করে দিয়েছে, ভবিষ্যতেও যে কোন ব্যক্তির পক্ষে ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’

আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলছেন, শেখ হাসিনা তার শাসনামলে যে ক্ষমতা চর্চা করেছেন তা সংবিধান তাকে এক অর্থে দিয়েছে। যে কারণে এমন একটা অভ্যুত্থানের পর সংবিধান পুনর্লিখন না করে শুধু সংস্কার করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব না।

তবে বিদ্যমান সংবিধানেও সংকটের সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বলছেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে। কোনটা সংস্কার করতে চায় কেন করতে চায় এই উত্তর কারও কাছে নেই। যে ধারাগুলো আছে সেটাতে আসলে অসুবিধা কোথায় সেটা তো জানা প্রয়োজন।’

‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ও সিনিয়র আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগসহ এমন বেশ কিছু জায়গায় পরিবর্তন যদি আনা যায় তাহলে এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামো থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব। তবে এটা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমেই করা সম্ভব।’

সাংবিধানিক ঝুঁকি কতখানি?
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এর কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা সেটি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবেন।’

এমন প্রশ্নে বিশ্লেষকরা বলছেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়েছে সেটিও সংবিধানের কোথাও নেই। সুতরাং এমন অবস্থায় রাষ্ট্র সংস্কারের চাহিদা থেকে সংবিধান নতুন করে লেখার সুযোগ রয়েছে। তাতে কোন সাংবিধানিক সংকটও তৈরি হবে না।

এক্ষেত্রে অধ্যাপক রীয়াজের যুক্তি হচ্ছে, সংকট তৈরি হবে তখন যদি আগের সংবিধান বাতিল বা স্থগিত করা হয়। কিন্তু যদি আগের সংবিধান বহাল থাকা অবস্থায় সেই সংবিধানকে মূল ধরে নতুন করে সবার মতামতের ভিত্তিতে পুনর্লিখন করা হয় তাহলে এটি নিয়ে সংকট তৈরির কোন সুযোগ নেই।

আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলছেন, ‘এই মুহূর্তে সংবিধান পুনর্লিখন বা সংশোধন করতে হলে সব রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বা দেশের মানুষের ঐক্যমত্য দরকার। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মত যদি থাকে তাহলে প্রশ্ন উঠলেও পরবর্তী নিয়ে সংকট তৈরি হবে না।’

সংবিধান ও গণপরিষদ
দেশের জনগণের পক্ষ থেকে সংবিধান রচনার দায়িত্ব যে সাংবিধানিক কমিটির মাধ্যমে সম্পাদিত হয় তাকে গণপরিষদ বলা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৭২ সালের গঠিত গণপরিষদ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করে। এক্ষেত্রে গত ৫ আগাস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গণপরিষদের মতো কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কী না তা নিয়ে দুই ধরনের বিশ্লেষণ পাওয়া যাচ্ছে।

আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘যেহেতু ৫ আগস্টের বিপ্লবে দেশের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আছে এই গণপরিষদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে এটির নাম সংস্কার গণপরিষদ করা যেতে পারে।’

অধ্যাপক আলী রীয়াজ অবশ্য সংবিধান সংশোধন বা পুনর্লিখনে গণপরিষদ গঠনসহ তিনটি পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

প্রথমত, গণপরিষদ বা সংবিধান সভা করা সংবিধান প্রণয়ন, দ্বিতীয়ত রাজনৈতিক দল বা সব পক্ষের সাথে আলোচনা করে খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করে গণভোট আয়োজন করা, তৃতীয়ত গণ শুনানির মাধ্যমে সংবিধান প্রস্তুত করা।

সেক্ষেত্রে এই রাষ্ট্র বিজ্ঞানীর পরামর্শ হচ্ছে, যখন সবার মতামতের ভিত্তিতে নতুন সংবিধান চূড়ান্ত হবে তখন একটি নির্দিষ্ট তারিখে বিদ্যমান সংবিধান স্থগিত করে নতুন সংবিধান চালু করতে হবে।

বর্তমান সংবিধানে সংকট কোথায়?
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেবার পরে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক করেছে। এসব বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র সংস্কারে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কোন কোন রাজনৈতিক দল এক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের কথাও বলেছেন।

তবে, বিশ্লেষকদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করছেন বর্তমানে বাংলাদেশে যে সংকট রয়েছে সেটি বিদ্যমান সংবিধান ও আইনের মাধ্যমে সহজেই সমাধান করা সম্ভব।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বলেন, ‘এখন অনেকে সংস্কারের কথা বলে। কিন্তু আমার প্রশ্ন এই সংবিধানের যে ধারাগুলো আছে সেটাতে আসলে অসুবিধা কোথায় সেটা তো জানতে হবে। যারা সংস্কারের কথা বলছে তারা কোনটা সংস্কার চায় সেটা স্পষ্ট করে বলেনি।’

এই প্রশ্নে দ্বিমত পোষণ করে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলছেন, ‘এই অভ্যুত্থানের অন্যতম উদ্দেশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা। কিন্তু বর্তমান সংবিধান চালু রেখে যদি এতে সংস্কার করা হয় সেটি কখনোই টেকসই হবে না।’

২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার সংস্কারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘যদি তখন যে সংস্কার করা হয়েছিল তা পরে আর কার্যকর থাকেনি। ফলে এই সংকট কাটাতে কিংবা প্রধানমন্ত্রীর এক কেন্দ্রীক ক্ষমতা কমাতে সংবিধান পুনর্লিখনের কোন বিকল্প নেই।’

তবে আইনজীবী কিংবা বিশ্লেষকরা এটি মানছেন, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র-জনতার যে রাষ্ট্র সংস্কারের চাহিদা তা পূরণ করতে হলে আগে সব ক্ষেত্রে সংস্কার এনেই তারপর আয়োজন করতে হবে সংসদ নির্বাচনের।

তাদের ধারণা সেটি না হলে এই অভ্যুত্থানের পর নতুন করে আবারও স্বৈরতন্ত্রের পথে হাটতে পারে ভবিষ্যতের যে কোন রাজনৈতিক সরকার।

Tags: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানরাষ্ট্র সংস্কারসংবিধান সংশোধনস্বৈরতন্ত্র
Previous Post

আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া ৫৭ বাংলাদেশির কয়েকজন দেশে ফিরছেন

Next Post

ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু পরিবারের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ

Next Post
অগ্নিসংযোগের পর ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির দৃশ্য, অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু পরিবারের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট, সড়ক ও ভবন দৃশ্য।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধভাবে থাকা ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT