যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নিষেধাজ্ঞার কারণে বহু বছর ধরেই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে ইরানের অর্থনীতি। বিভিন্ন দেশে তেহরানের ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদ আটকে রয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার আগে এই ‘ফ্রোজেন অ্যাসেটস’ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে আসছে।








