কিশোরগঞ্জের ইটনায় যৌতুকের জন্য স্ত্রী সাবিনা আক্তার (১৯)কে হত্যার দায়ে স্বামী সোহেল মিয়া (২৩)কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ -এর বিচারক মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আসামির উপস্থিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালে ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের পাগলশী এলাকার আলাল মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়ার সাথে একই গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুখের জন্য আলাল মিয়া যৌতুক হিসেবে দুই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ঘরের আসবাবপত্র দেন। বিয়ের কিছুদিন পর যৌতুকের জন্য সাবিনাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে অত্যাচার শুরু করলে ভ্যান গাড়ি ক্রয়ের জন্য সোহেল মিয়াকে আরও ২০ হাজার টাকা যৌতুক দেন। এরপর পুনরায় আবারও এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করলে দিতে অপারগতা জানান সাবিনা আক্তার। এরই জেরে ২০২১ সালের ২২ এপ্রিল রাতে বসত বাড়ির উত্তর পার্শ্বে মুচি বাড়ির পরিত্যক্ত ভিটি জমির জাম্বুরা গাছের নিচে শ্বাসরোধে সাবিনাকে হত্যা করে। পরে পুলিশে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ওইদিন সাবিনার বাবা ইদ্রিস মিয়া সাবিনার স্বামী সোহেল মিয়া ও শ্বাশুড়ি ফুলবানুকে অভিযুক্ত করে ইটনা থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় একই বছরের ২৪ আগস্ট ইটনা থানার তৎকালিন পরিদর্শক মোহাম্মদ আহসান হাবিব সোহেল মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলায় আসামী পক্ষে আইনজীবী আব্দুস সালাম মামলা পরিচালনা করেন।









