বগুড়া শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম থেকে কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও মালামাল সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম।
বিসিবি গত বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিবকে চিঠি দেয়। চিঠিতে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ওই ভেন্যু থেকে মালামাল এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত সরিয়ে নেয় বিসিবি।
এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার দুপুরে হিরো আলম তার কয়েকজন ভক্তকে সাথে নিয়ে স্টেডিয়ামে গিয়ে মানববন্ধন করেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে এই স্টেডিয়ামে কোন খেলা দেওয়া হয়নি। ১৫ বছরে কি দেশে একটি খেলাও হয়নি? কোথাও না কোথাও তো খেলা হয়েছে টুকটাক। তাহলে বগুড়া কি খেলা হওয়ার মতো স্টেডিয়াম না? এখানে কি এর আগে খেলা হয়নি? তাহলে কেন আজকে স্টেডিয়াম থেকে মালপত্র তুলে নিয়ে যাওয়া হলো।’
তিনি বলেন, “১৫ বছরেও বগুড়ার উন্নয়নে কোন কাজ করা হয়নি। একটা পক্ষ চাইছে না এখানে খেলাধূলা হোক। কারণ খেলাধূলা হলে মাঠ তো চাঙা থাকবে। তাই তারা এমন কাজ করছে গোপনে যে, খেলা আসার আগেই তারা চিঠি দিচ্ছে যেন খেলা না হয়। এখন বছরের পর বছর যখন মাঠটি পড়ে থাকবে তখন মানুষ কি করবে? গরু-ছাগলের হাট করার জন্য দিবে? তখন জুয়া খেলার জন্য, মেলা করার জন্য দিবে?
বিসিবি’র উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব মালপত্র খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হোক। আর প্রতিবছর বিভিন্ন জেলায় যেভাবে খেলা হয় আমরাও এই স্টেডিয়ামে তেমন আন্তর্জাতিক খেলা দেখতে চাই।’
২০০৬ সালে একটি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে হওয়ার পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে। তবে সচল ছিল ঘরোয়া ক্রিকেট। সেই সুবাদে এই মাঠের ভালোমন্দের দেখভাল করে আসছিল বিসিবি।
পরে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায় বিসিবি। এই স্টেডিয়াম রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় দায়দায়িত্ব জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ভেন্যুতে কর্মরত বিসিবির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এরই মধ্যে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছে।









