জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা গতবছরগুলোর মতো শিফট পদ্ধতিতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৮ই মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আজ বিকেলে ‘বিতর্কিত’ এ শিফট পদ্ধতি বাতিল করে এক প্রশ্নপত্রে মেধা যাচাইয়ের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী আ র ক রাসেল বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় লুটপাট করা হয়। সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হয়। আমরা আগে থেকে বলে আসছি বিতর্কিত শিফট পদ্ধতি বন্ধ করতে হবে। এর কারণে মেধার বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।’
জাবি সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা শিক্ষা প্রদানের চেয়ে অর্থ উপার্জনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ভর্তি পরীক্ষা কোন জুয়া খেলা নয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আশে-পাশে থাকা স্কুল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। প্রশাসন চাইলে এটি বাস্তবায়ন করা সহজেই সম্ভব।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায় বলেন, ‘গতবছরগুলোতেও শিফট পদ্ধতির বৈষম্য নিয়ে আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় বারবার আমাদের আশ্বাস দিয়েছে বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার৷ অথচ শেষে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অটল থাকলো। ভর্তি বাণিজ্যের এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। নইলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
সার্বিক বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলমকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।









