হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ভবনের নকশাটি এমন করা হয়েছে যাতে দিনের বেলা সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে। এতে প্রচুর বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করার পর রানওয়ে বা ট্যাক্সিওয়ে থেকে তাকালেই চোখে পড়ছে নয়নাভিরাম একটি ভবন। শুধু রানওয়ে নয়, চারদিক থেকেই ধীরে ধীরে নজরে আসছে নির্মানাধীন বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালটি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, অনেক প্রকল্পেই সময় এবং অর্থ বাড়লেও দেশের অন্যতম বৃহৎ এই স্থাপনাটি কোন রকম ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে।
তিনি বলেন, থার্ড টার্মিনালের উদ্বোধন হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। যাবতীয় প্রস্তুতির পর এখন চলছে শেষ দিকের ঘষামাজার কাজ। সিলিংয়ে নানা রং এর চোখ ধাঁধানো কারুকাজ ছাড়াও মেঝেতে লাগানো হচ্ছে ইটালিয়ান টাইলস্। চেকিং এবং ইমিগ্রেশন কাউন্টারের ফার্নিচারও আনা হয়েছে রোম থেকে। নকশার কারণে সূর্যের আলোতে ভেতরটা ঝলমল করছে।
তিনি বলেন, ৭ অক্টোবর আংশিকের উদ্বোধন হলেও যাত্রীরা টার্মিনাল ব্যবহার করতে পারবেন ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এই টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ দেখিয়েছে ১২টি নতুন এয়ারলাইন্স।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালে তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং কোরিয়ার স্যামসাংয়ের অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম (এডিসি) এই টার্মিনালের নির্মাণকাজ করছে।
টার্মিনালটির নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার এবং বাকি অর্থ দিচ্ছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।









