চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

করিডোর কূটনীতি: ‘প্রক্সিওয়ারের’ দরজায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ?

চ্যানেল আই অনলাইন by চ্যানেল আই অনলাইন
4:04 অপরাহ্ন 29, এপ্রিল 2025
in মতামত
A A
নৌপথে যাত্রা করছে মানুষ, নদীর পাড়ে জনসমাগম. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

টেকনাফ থেকে মংডু মাত্র সত্তর কিলোমিটারের এই সীমান্তপথকে ঘিরে এখন একযোগে চলছে মানবাধিকার-সহায়তার তাগিদ, পতাকা-বিহীন পেছনের যুদ্ধ, আর বাংলাদেশের কূটনীতির সূক্ষ্ম দড়ি-টানাটানি।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাবিত হিউম্যানিটারিয়ান করিডোর নিয়ে ঢাকার নীতিগত সম্মতি সইতেই সীমান্তের দুই পাড়ে নতুন এক কোলাহল দেখা দিয়েছে কে এই করিডোরের ভেতর দিয়ে কী পাচার করবে, কারা পদছাপ রেখে যাবে, আর কে কাকে ‘সঙ্গী’ বলে দাগিয়ে দেবে।

নিয়ন্ত্রণ-রেখার ওপারে আরাকান আর্মি (এএ) ইতিমধ্যেই পশ্চিম রোহিঙ্গা উপকূলের বেশির ভাগ শহরে দখল কায়েম করেছে; মংডু ও বুথিডং এখন তাদের লজিস্টিক ঘাঁটি।

গত ডিসেম্বরে তারা জান্তার পশ্চিম কমান্ডের সদরদপ্তর দখল করার পর থেকে সীমান্তমুখী কাঁটা তারের ঠিক ওপাশে শূন্য গজের ফাঁকফোকরে তাদের নিকটবর্তী চৌকি বসাতে দেরি করেনি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের শর্তনিরপেক্ষ ত্রাণ বিতরণ, সীমান্ত নজরদারির মিয়ানমারি নিশ্চয়তা এবং প্রত্যাবাসন-সংযুক্ত পরিমাপযোগ্য অগ্রগতি কাগজে-কলমে যথেষ্ট শক্ত কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় অনেকটাই পরীক্ষাধীন।

বাংলাদেশের রখাইন রাজ্য ও মিয়ানমার সীমান্তের মানচিত্র।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

রুটখানা চালু হলে প্রথম যে ঝুঁকিটি ঘাড় উঁচু করে ওঠার সম্ভাবনা বেশি, তা হলো অস্ত্র-মাদক সিন্ডিকেটের ছদ্মবেশী বিস্তার। মাত্র এক মাস আগে নারায়ণগঞ্জের র‍্যাব-১১-এর অভিযানে আটক হন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ জুনুনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কক্সবাজার ক্যাম্পে খুন-খুকুরি থেকে শুরু করে ইয়াবা-আইস পাচারের ‘অনবোর্ড কমান্ড’ তিনিই চালাচ্ছিলেন।

একই মাসে অ্যাকলেড (ACLED)–এর আপডেট বলছে, কক্সবাজারের ক্যাম্পে আরসার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-এরও সশস্ত্র সংঘর্ষ বেড়েছে; দুই পক্ষই সহজ টাকার মোহে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায় জড়াচ্ছে। সীমান্ত করিডোর চালু হলে দাতাসংস্থার খাদ্যপ্যাকেট, মেডিকেল-কিট বা রেফ্রিজারেটেড কনসাইনমেন্টে ছোট ছোট ‘পিগিব্যাক’ চালান লুকিয়ে যেতে কতটা সময় লাগবে তা কল্পনা করা কঠিন নয়।

২০১৭-তে ইয়াবার বড় চালান ঢুকছিল রাতের অন্ধকারে নাফ-নদীর বালুরচরে; ২০২৫-এ তা দিব্যি রওনা হতে পারে ‘রিলিফ কার্গো’ লেখা ট্রাকে।

দ্বিতীয় স্তরের হুমকি আরসা-আরএসও’র রাজনৈতিক-সামরিক পুনর্বিন্যাস। আরসা মূলত উত্তর রাখাইনকেন্দ্রিক বিদ্রোহী সংগঠন, যার মেরুকরণ এখন দুই ভাগে একটি দল আতাউল্লাহের অধীনে, অন্যটি মাদকপাচার-ভিত্তিক ‘মাস্টার মুন্না’ ও ‘নবি হোসেন’ গ্রুপে ভাগ হয়ে গেছে।

গ্রুপগুলো নিজেরাই অস্ত্র কিনছে, আবার এএ-র মাধ্যমেও সস্তায় রাইফেল জোগাড় করছে; কারণ যুদ্ধক্ষেত্রে ছিনতাই করা সিকিউ-এ বা পিএফ-৯৮ লঞ্চার কিলোগ্রামপ্রতি আফিম-দরে বিক্রি হচ্ছে।

সার্বিক চিত্র হলো করিডোরের নাম করে যদি সীমান্ত স্ক্যানার ও ই-সিল ব্যবস্থায় ঢিলে পড়ে, তবে শুধু মানবিক কনভয় নয়; একসঙ্গে ঢুকবে রাইফেলের ‘নকআউট কিট’ আর চোখ-ঝলসানো আইস-কণিকা।

এর বিপরীতে আরএসও নতুন তৎপরতা শুরু করেছে ভারতের উত্তর-পূর্বে ঘাঁটি করা কিছু গোপন কারখানা ভাঙিয়ে।

বায়োকেমিক্যাল প্যাকেট থেকে শুরু করে প্রিমিয়াম ইয়াবা সবকিছুই সীমান্তের ঠিক দু’পারে তৈরি হচ্ছে। ২৪ এপ্রিল রাখাইনের থাং বাজারের পাহাড়ে আরএসও ও এএ-র মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ত্রিশ জন নিহত হয়; আরএসও দাবি করেছে‘রোহিঙ্গাদের রক্ষায়’ তারা এএ-র বর্বরতা থামাতে গিয়েছে।

বিভিন্ন রঙের ট্রাকগুলো একটি পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

অথচ তাদের অস্ত্র এসেছে কলকাতা-গুজরাট ‘কোস্টাল নেটওয়ার্ক’ হয়ে, যেখানে আবার একই চালানে মিশেছে আফ্রিকান ‘পিঙ্ক মেথ’। এই পেট্রিডিশনাল জটিলতাই বলে দেয়, আরসা-আরএসও-এএ তিন পক্ষই সীমান্ত-খাঁচাকে যার যার মতো ব্যবহার করতে মরিয়া আর বাংলাদেশকে পড়তে হচ্ছে ‘অরেঞ্জ সিগন্যাল’ জোনে।

তৃতীয়ত, আছে এএ-এর একক সামরিক উত্থান গত ১৮ মাসে তারা রাখাইনের ১৭টির মধ্যে ১৪টি টাউনশিপ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে এবং পালেটোয়াও হাতছাড়া হয়নি। এএ-এর ঘোষিত পলিসি হলো: তারা রোহিঙ্গা-অধিকারের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশকে ‘নিরপেক্ষ গেইটওয়ে’ হিসেবে দেখে। এই বক্তব্য শুনতে যতই উদারনীতি-সুলভ লাগুক, বাস্তবে তার মানে দাঁড়ায় করিডোর চালু হলে এএ ট্রাকের ছায়ায় নিজেদের লজিস্টিক মুভ করবে, হয়তো চিয়াকফু বন্দরের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে তাদের সিগন্যালে বাংলাদেশকেও আড়ালে আড়ালে যুক্ত করতে চাইবে।

সাফ বলা যায়-বাংলাদেশ ‘প্রক্সিওয়ার’-এর দরজায় দাঁড়িয়ে। একদিকে জান্তা-বিরোধী গোষ্ঠী, অন্যদিকে সামরিক সরকার; দুই পক্ষই ঢাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে কৌশল আঁটছে।

কলকাতা-সৃষ্ট আঞ্চলিক অখণ্ডতা থিওরিস্টরা বলতে শুরু করেছে “ঢাকা হয়তো চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে এএ-এর মাধ্যমে নয়া ‘প্যাসিফিক স্ক্রু-টার্ন’ দেবে”, আবার পশ্চিমা থিংকট্যাঙ্কগুলো সতর্ক করছে “করিডোর মানে বাংলাদেশ হয়তো অজান্তে জান্তাবিরোধী জোটের ‘ক্রস-ডকিং সেন্টার’ হয়ে উঠবে।”

ঢাকা এখন দ্বিমুখী সংকটে: এক, দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদকের পাইপলাইন শুকিয়ে ফেলা; দুই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘নিরপেক্ষ মানবিক খেলার মাঠ’ দেখিয়ে চীন-ভারত-আসিয়ান সবার আস্থা ধরে রাখা। ইতোমধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর একটি হালকা পদাতিক কোম্পানি মজুত করা হয়েছে গুমধুম-রেজু চাপার বক্ররেখা ধরে; সেখানে সৌরচালিত সারভেইল্যান্স টাওয়ার, ড্রোন-জামার, থার্মাল ক্যামেরা ‘ট্রাই-লেয়ার এয়ার-ওয়াল’ টেস্ট করছে।

এনজিও-মালিকানাধীন প্রতিটি ট্রাকেই ডিজিটাল সিল, জিও-ফেন্সড মডিউল ও গামা-স্ক্যানার চেক বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে কিন্তু বাস্তবতা হলো, ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে ট্রাকের ম্যানিফেস্ট মিলিয়ে দেখতে একেকটি স্ক্যানারকে কাজ করতে হয় মিনিটে চল্লিশটি কনটেইনারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনীতি-নিরাপত্তা-মানবিকতা এই ত্রিপদী ফ্রেমওয়ার্কে সমাধান খুঁজছে। কূটনৈতিক অংশে যুক্ত হয়েছে মালয়েশিয়া ও জাতিসংঘের ‘কো-স্পন্সরড’ রেজল্যুশন; সেখানে মানবিক করিডোর আর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে একই বাস্কেটে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

দিল্লির সঙ্গে আলাদা সমঝোতা খসড়া হয়েছে কালাদান করিডোরের ‘ডিকনফ্লিকশন টেবিল’ রাখবে বাংলাদেশের হাতেই, যাতে মিজোরাম-রিখাওদা রুট চালু হলেও তথ্য আগে আসে এবং সীমান্ত দ্বিমুখী ‘প্যাসেজ ডে-প্ল্যান’ করে নেয় বিজিবি ও আসাম রাইফেলস।

নিরাপত্তা-স্তরে দ্রুত মোতায়েন ইউনিট রাখা হচ্ছে বিজিবি সেক্টর ১১ ও ২৭-এ, ছয় মাস অন্তর ‘আইএসও-অডিট’ হবে—অস্ত্রাবশেষের স্যাব টেস্ট, কাইনাইন সুইপ, এমনকি র‍্যাপিড পেস্ট স্যাম্পলিংয়ে বিস্ফোরক-ভার ওপেন-সিসটেম সনাক্তকরণ। এসব রিপোর্ট সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যাবে, যাতে রাজনৈতিক ইঙ্গিতের ওপর ছাড় না দিয়ে টেকনিক্যাল অডিট নিখাদ তথ্য দেয়।

মানবিক অংশে পরিকল্পনা হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-কেন্দ্রিক ‘ইয়ুথ-ওয়ার্কফেয়ার’ স্কিম; ট্রাক আনলোড, প্যাকেজিং-লাইন-শ্রমে ক্যাম্পের ছেলেমেয়েরা জড়ালে, মাদক সিন্ডিকেটে যোগদানের প্রলোভন কিছুটা কমবে।

এখন প্রশ্ন, এত কিছুর পরও কি বাংলাদেশ প্রক্সিওয়ারের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে? আন্তর্জাতিক আইন বলছে একটি মানবিক করিডোর কেবল তখনই ‘পক্ষ’ নির্ধারণ করে যখন ওই রাষ্ট্র সশস্ত্র সহযোগিতা বা সরাসরি ইন্টেলিজেন্স-ফিড সরবরাহ করে।

ঢাকার কৌশল প্রতিটি ধাপেই তা এড়ানোর। তবু ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে করিডোরের নিশ্ছিদ্রতার সামান্য ফাঁক দেখেই এএ-আরসা-আরএসও-এর অসংখ্য বাহিনী নিজেদের মতো করে ‘অনুপ্রাণিত কার্যকলাপ’ শুরু করতে পারে। বিশেষত আরসা-আরএসও ক্যাম্প-ভিত্তিক রিক্রুটমেন্ট চালু রেখেছে; হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রাম গ্রুপে ক্যাম্প-নাগরিকদের বোঝাচ্ছে করিডোর খুললেই রাখাইনে “ত্রাণের পাহাড়, সুযোগের স্রোত” বইবে, সুতরাং এখনই নতুন দলে নাম লেখানো দরকার।

ঢাকার পক্ষে এই মনস্তত্ত্ব চটিয়ে রাখা কঠিন; তাই রোহিঙ্গা গণমাধ্যমে ‘রিস্ক কমিউনিকেশন’ শুরু হয়েছে করিডোর মানে পুনর্বাসন নয়, এটি শুধু সীমিত-পথে ত্রাণ ব্যবস্থা, আর নতুন ঢল মানে নিজের জীবনে আরও অনিশ্চয়তা যোগ করা।

চীন, ভারত ও পশ্চিমা সহযোগীর ত্রিমুখী শক্তি-সমীকরণেই প্রক্সিওয়ারের ডালপালা লুকিয়ে। চীন নিশ্চিত করতে চায় করিডোর দিয়ে কোনোভাবেই পশ্চিমা সামরিক-মালিকানাধীন ‘নন-লেথাল’ ডিভাইস ঢুকবে না; ভারত আবার চায় কালাদান রুটের তুলনায় বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক করিডোর অতিমাত্রায় সক্রিয় না হয়ে পড়ে, যাতে তাদের বহুমিলিয়ন-ডলারের মাল্টিমোডাল প্রকল্প নাক কাটা না খায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ কিশোরগড়ে এইড-কাট সমস্যায় ভুগলেও মানবাধিকার কার্ড তুলে ঢাকার ওপর চাপ বাড়াতে পারে “ত্রাণ-পথ খোলা হলো, এখন এএ-কে হিউমেন সিকিউরেটি অ্যালি হিসেবে সামিল করুন।”

এসবের জাল ছিঁড়তে ঢাকার দরকার ‘ট্র্যাক-টু প্লাস’ চীন-ভারত-মালয়েশিয়া-জাতিসংঘকে ন্যূনতম সমন্বয় টেবিলে রাখতে পারলেই প্রক্সিওয়ার লেভেল–১ (ইইউ–মার্কিন ‘টেকনিক্যাল অ্যাসিসট্যান্স’)–এ থেকে যাবে; লেভেল–২ (সশস্ত্র যোগান) স্পাইরাল-আপ করবে না।

অর্থনীতির দৃষ্টিকোণেও করিডোর একটি দ্বিমুখী দড়ি। একাধিক গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে টেকনাফ স্থলবন্দরের আংশিক পুনরায় চালু হলে শুধু এফ-ফিশ, সার্ফেক্ট্যান্ট ও পিইটি গ্র্যানুলেট রপ্তানি করে প্রথম বছরেই অতিরিক্ত একশ কোটি টাকা রাজস্ব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। একই সঙ্গে নাফ-নদীর বরফ-মেশিন-নির্ভর মৎস্যফ্লিট আবার সচল হলে স্থলবন্দর-সংশ্লিষ্ট ৪ হাজার শ্রমিক আংশিক কর্মসংস্থানে ফিরতে পারবেন।

কিন্তু বাণিজ্য-চক্র খুললেই মেথ-সিন্ডিকেটগুলি সুযোগ পাবে জাহাজে ‘ফাইবার-ড্রাম’ লুকিয়ে নতুন ডেলিভারি খালাস করতে; অর্থাৎ স্ক্যানারের জিরো-টলারেন্স ছাড়া অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিজেই আবার ‘হাইরিস্ক-অ্যাসেট’ হয়ে যাবে।

সব মিলিয়ে করিডোর-কূটনীতি বাংলাদেশের জন্য নামমাত্র দয়া-দরজা নয়; এটি একদিকে দক্ষিণ-দক্ষিণ বাণিজ্য ও কূটনীতি উন্মুক্ত করার সুযোগ, অন্যদিকে প্রতিপক্ষ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য ‘ওপেন ফ্ল্যাঙ্ক’ হয়ে ওঠার প্রবল ঝুঁকি।

সফল বাস্তবায়নের তিনটি পূর্বশর্ত এক, সীমান্তে প্রযুক্তিনির্ভর কড়া পাহারা; দুই, প্রত্যাবাসনের সঙ্গে করিডোরকে অবিচ্ছিন্নভাবে গেঁথে ফেলা; তিন, চীন-ভারত-আসিয়ান-পশ্চিমা সব পক্ষের সঙ্গে স্থায়ী আলোচনার চ্যানেল খোলা রাখা।

ত্রাণ যদি বন্দুকের সিলিন্ডারে চাপা পড়ে যায়, আর কূটনীতি যদি বাহ্যিক সামরিক খেলায় বিভ্রান্ত হয়, তবে করিডোর দাঁড়াবে না বরং ভাঙা-সেতুর নিচে চাপা পড়বে রোহিঙ্গার স্বপ্ন, সীমান্ত অর্থনীতি আর বাংলাদেশের নিজস্ব নিরাপত্তা।

কিন্তু সূক্ষ্ম সমতা বজায় রেখে, প্রতিটি স্ক্যানারে ক্যাপসুল-সাইজের ইয়াবাও ধরার যোগ্যতা আর প্রতিটি দলিলে নিরপেক্ষতার স্বাক্ষর নিশ্চিত করা গেলে, টেকনাফ-মংডু করিডোর হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নতুন মানবিক সেতুবন্ধ যেখানে অস্ত্র-দালাল নয়, মানুষই শেষ পর্যন্ত জেতে।

তবুও শেষ পর্যন্ত করিডোর বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে বাংলাদেশের জনগণের অভ্যন্তরীণ ঐক্যমতের ভিত্তিতে। আলোচনার টেবিল ব্যতীত পর্দার আড়ালের বৈঠকে এমন ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনভাবেই সমীচীন হবে না।`

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: বাংলাদেশ
Previous Post

কথিত বাংলাদেশিদের ঘর ভাঙা শুরু গুজরাটে

Next Post

স্বল্পোন্নত দেশে থেকে উত্তরণের পর কারিগরি শিক্ষা হবে মূল বিষয়: ড. দেবপ্রিয়

Next Post
ড. দেবপ্রিয় বক্তৃতা দিচ্ছেন, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

স্বল্পোন্নত দেশে থেকে উত্তরণের পর কারিগরি শিক্ষা হবে মূল বিষয়: ড. দেবপ্রিয়

উমামা ফাতেমার ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে আলোচনা, গভীর রাতে এনসিপি নিয়ে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

গভীর রাতে এনসিপি নিয়ে উমামা ফাতেমার ফেসবুক পোস্ট

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT