সুরের জাদুতে মাত করেছেন বিশ্ববাসীকে। এবার গ্র্যামি জিতলেন ৭০ বছর বয়সি সংগীতশিল্পী চন্দ্রিকা ট্যান্ডন। ৬৭তম গ্র্যামিতে ‘বেস্ট নিউ এজ’, ‘অ্যাম্বিয়েন্ট’ এবং ‘চ্যান্ট অ্যালবাম’ ক্যাটিগরিতে সেরার সেরা হলো চন্দ্রিকার ‘ত্রিবেণী’ অ্যালবামটি।
এই অ্যালবামে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁশিবাদক উটার কেলারম্যান এবং জাপানের সেলিস্ট ইরু মাৎসুমোতো।
রিকি কেজ এবং আনুশকা শঙ্করের মতো সংগীতশিল্পীকে হারিয়ে গ্র্যামি জিতে উচ্ছ্বসিত চন্দ্রিকা। বললেন, ‘দুর্দান্ত লাগছে।’ তবে কেবল সংগীতশিল্পীই নন, অন্য একটি পরিচয় রয়েছে চন্দ্রিকা ট্যান্ডনের।
মার্কিন নাগরিক হলেও তিনি কিন্তু ভারতীয় বংশোদ্ভূত! শিল্পী পরিচয়ের বাইরে একাধারে তিনি একজন শিল্পপতিও বটে।
পেপসিকো সংস্থার প্রাক্তন সিইও ইন্দ্র নুয়ীয়ের দিদি চন্দ্রিকা। তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা চেন্নাইতে। পড়াশোনা করেছেন মাদ্রাজ ক্রিস্টান কলেজে। আইআইএম আমেদাবাদ থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন।
পুরস্কার জয়ের পর রেকর্ডিং অ্যাকাডেমিকে তিনি বলেন, ‘এই ক্যাটিগরিতে একাধিক বড় বড় নাম ছিল। তারা প্রত্যেকেই অসাধারণ সংগীতশিল্পী। ফলে এই পুরস্কার জয়ের আনন্দটা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।’
তবে চন্দ্রিকা ট্যান্ডনের এটিই প্রথম গ্র্যামি নয়। ২০১১ সালে তার ‘ওম নমো নারায়ণা: সোল কল’ অ্যালবামটি ‘বেস্ট কনটেমপরারি ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যালবাম’ ক্যাটিগরিতে নমিনেট হয়েছিল। যদিও সে বছর পুরস্কার জেতেননি এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান।
‘বেস্ট নিউ এজ’, ‘অ্যাম্বিয়েন্ট’, ‘চ্যান্ট অ্যালবাম’ ক্যাটিগরিতে নমিনেটেড ছিল রিকি কেজের ‘ব্রেক অফ ডন’, রুইচি সাকামোতোর ‘ওপাস’, অনুস্কা শঙ্করের ‘চ্যাপ্টার ২: হাউ ডার্ক ইট ইজ় বিফোর ডন’ এবং রাধিকা ভেকারিয়ার ‘ওয়ারিয়র্স অফ লাইট’।
লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো.কম এরেনাতে বসেছিল গ্র্যামি আওয়ার্ডের আসর। বিশ্বের তাবড় সংগীতশিল্পীদের পুরস্কৃত করা হয় এই অনুষ্ঠানে। রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ভারতীয়রা ডিসনি+হটস্টারে লাইভ সম্প্রচার দেখতে পেয়েছেন।









