নভেম্বরে ব্রাজিল, জাপান এবং প্যারাগুয়ে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একটি চার জাতির আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজের জন্য খেলতে আসছে। ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ‘লায়নস’ খ্যাত সিঙ্গাপুর দল লাতিন আমেরিকার দুই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে। আসরটি হবে ১৩-১৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
উদ্বোধনী ‘মিজুহো ব্লু চ্যালেঞ্জ-দ্য কাল্লাং ফুটবল সিরিজ সিঙ্গাপুর’ ফিফার অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত হবে। তিনটি ম্যাচ ডে’তে মোট চারটি ম্যাচ খেলা হবে। সিঙ্গাপুর ১৩ নভেম্বর প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সিরিজ শুরু করবে। পর দিন সন্ধ্যায় জাপান মুখোমুখি হবে ব্রাজিলের। ১৭ নভেম্বর সমাপনী ম্যাচ ডে’তে সিঙ্গাপুর ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে এবং জাপান প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়বে।
সিঙ্গাপুরে চারজাতির ম্যাচ নিয়ে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিতব্য প্রীতি ম্যাচগুলো আগামী বছরগুলোর জন্য ব্রাজিল জাতীয় দল গঠনের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলার ফলে আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দলের কার্যপদ্ধতি ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাব যা এই প্রাথমিক পর্যায়ে অত্যন্ত জরুরি।’
‘আমরা দলের নিজস্ব সত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং নিজেদের বিকল্প বা সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাজ করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ভারসাম্য বজায় রেখে দলের উন্নতি ঘটানো এবং সামনের বড় চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য পুরো দলকে প্রস্তুত করে তোলা।’
বিশ্বকাপে হারার প্রতিশোধ নেয়ার আরেকটি সুযোগ পাচ্ছে জাপান। এ আসর নিয়ে জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু বলেছেন, ‘আমরা এই সুযোগটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চাই, যাতে প্রতিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা বর্তমান অবস্থান থেকে আরও উন্নতি করতে পারি এবং আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য এএফসি এশিয়ান কাপে আমাদের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারি।
‘আমরা শুনেছি যে সিঙ্গাপুর ও অন্যান্য এশীয় দেশের অনেক মানুষ বিশ্বকাপে জাপানের জাতীয় দলকে সমর্থন করেছিলেন। ফুটবল-প্রেমী এমন একটি দেশে আয়োজিত টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে আমরা কৃতজ্ঞ।’
সিঙ্গাপুরে হতে যাওয়া আসরে ফিফার প্রথম সারির দলগুলোকে দেখার সুযোগ পাবে এশিয়ার মানুষেরা। ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল পঞ্চম স্থানে, জাপান ১৭তম স্থানে এবং জার্মানির বিপক্ষে ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে জয়ের পর প্যারাগুয়ে সাত ধাপ এগিয়ে ৩৪তম স্থানে অবস্থান করছে।
সিঙ্গাপুরের হেড কোচ গ্যাভিন লি বলেছেন, ‘শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার যেকোনো সুযোগের জন্যই আমরা রোমাঞ্চিত। এ ধরনের ম্যাচগুলো আমাদের জন্য অমূল্য, কারণ এগুলো আমাদের পরীক্ষা নেয় এবং আমাদের বর্তমান অবস্থান এবং আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে আমাদের কোথায় এখনও উন্নতি করতে হবে তা দেখিয়ে দেয়।’









