আমরা ব্যক্তিকে নয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবো। সেই প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমের সঠিক ভূমিকা রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর ‘রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন’ হোটেলে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেভাবে দুটি গণমাধ্যমে হামলা হয়েছে তা লজ্জার। শুধু দুঃখ প্রকাশ করে এর দায় এড়ানো যায় না। এ ঘটনায় সরকার কেন পদক্ষেপ নিল না?
নিরপেক্ষ নির্বাচন করার দায়িত্ব যারা নিয়েছে তারা প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মব কালচার কঠোর হাতে দমন করতে হবে।
৫ আগষ্টের পর প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে গণমাধ্যমের ভূমিকা কি হবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তারেক রহমানের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান প্রত্যাশা পূরণের নেতা। আমরা ব্যক্তিকে নয়, গনতন্ত্রকে শক্তিশালী করবো। সেই প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমের সঠিক ভূমিকা রাখা উচিত।
সভায় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, কারো বক্তব্যের জন্য জীবন দিতে হবে এই জন্য তো এত সংগ্রাম হয়নি।
‘ভিন্নমত নিয়েই তো গণতান্ত্রিক সমাজ’ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদোত্তর সময়ে কোন গণমাধ্যমে হামলা মেনে নেওয়া যায় না।
সভায় দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ৫৩ বছরের ইতিহাসে কোন মিডিয়া হাউজে আগুন দেয়া হয়নি। আমাদের অপরাধ কী সেই প্রশ্ন প্রতিটি গণমাধ্যমের কাছ থেকে আসা উচিত।
তিনি বলেন, কোন সরকার কোনদিন ক্রিটিকাল জার্নালিজম পছন্দ করেনি। আমার অনুরোধ তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে বাংলাদেশ দেখি, সেখানে ক্রিটিকাল জার্নালিজম থাকতে হবে।
নৈতিকতাই সাংবাদিকতা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আমরা ভুল করলে ক্ষমা চাইবো। তবে নির্বাচিত সরকার যেন গণতন্ত্রের দিকে যায়, সে জন্যই আমরা সমালোচনা করি।
সভায় দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, আমরা সবাই নিরাপদ থাকতে চাই। বিএনপি’র দায়িত্ব সেই জায়গা নিশ্চিত করা। আমি আশা করি তারেক রহমান আসলে দেশের অবস্থা পরিবর্তিত হবে।









