ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর এলাকায় বাজি তৈরির একটি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
রোববার ২৭ আগস্ট হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, স্থানীয় সময় এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রশাসনের চোখ খুলে গিয়েছে’ তিন মাস আগে এগরায় বেআইনি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর এমনই মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আদৌও প্রশাসনের চোখ খুলেছে কিনা, সেই প্রশ্ন তুলে দিল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর। কারণ রোববার সেখানে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ হলো। এই ঘটনায় কমপক্ষে ছয়-সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এই ঘটনায় আশপাশের একাধিক বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, বারবার পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দত্তপুকুরের ওই বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। বিস্ফোরণের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে অন্যত্র ছিটকে গিয়েছে দেহ। আশপাশের একাধিক পাকা বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি বাড়ির সামনের অংশও ভেঙে পড়েছে। আশপাশের গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকল বাহিনী। আগুন নেভানোর কাজ চলতে থাকে।
তারা বলেন, ‘আজ এত পুলিশ নিয়ে এসে কী লাভ হবে? আগে ব্যবস্থা নিলে তো আজকের দিনটা দেখতে হত না।’ তাদের দাবি, ওই কারখানায় বেআইনিভাবে বাজি তৈরি করা হত। তৈরি হত বোমাও। তা নিয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানানো হয় কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।









