অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়, সেটিও দীর্ঘ ২৩ বছর পর দেশটিতে খেলতে নেমে, নাজমুল হোসেন শান্তর দল মহাকাব্যই লিখেছেন। জয়টি দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল একটি ভালো বার্তা দিয়েছে, বলেছেন অধিনায়ক শান্ত।
ম্যাচের পর শান্তর দিকে প্রশ্ন যায়, এই জয়ে বাংলাদেশ যেকোনো দলের জন্য হুমকি হয়ে উঠল কিনা? অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমার মনে হয় বিশ্ব ক্রিকেটকে একটা ভালো বার্তা দিতে পেরেছি যে, আমরা যেকোনো কন্ডিশনে ভালো খেলার যোগ্যতা রাখি। আমার মনে হয় যে ভবিষ্যতে এরকম কন্ডিশনে আরও বেশি বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবো এবং আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।’
‘কারণ ওই সুযোগটা যখন আমরা পাবো, আমাদের দক্ষতা দেখাতে পারব। এই ধরনের কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয়, ধারণাগুলো আমাদের হবে। আশা করব যে, এই জয়টা আমাদের ভবিষ্যতে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য অনেক ভালো একটা স্মৃতি হয়ে থাকবে এবং সবাই আমাদের এরকম কন্ডিশনে খেলার জন্য আরও বেশি বেশি আমন্ত্রণ জানাবে।’
প্রস্তুতি ম্যাচের হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘আমাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি। অনুশীলন ম্যাচটা বলব যে, একদমই ভালো ক্রিকেট খেলি নাই। কিন্তু ক্রিকেটে এরকম দিন হয়, ক্রিকেটে এরকম দিন আসে। ওই ম্যাচের পর আমারা যে অনেকবেশি চুপসে গিয়েছিলাম জিনিসটা এরকম নয়। কারণ দিনশেষে অনুশীলন ম্যাচই ছিল।’
‘ওই ম্যাচের কোন কোন জায়গায় আমাদের দুর্বলতা ছিল বা কোন কোন জায়গায় আমরা ভুল করেছি, ওই জিনিসগুলো নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। পাশাপাশি আমরা কিছু জায়গায় একটু সফট ছিলাম। সবাইকে বোলিং করার সুযোগ দিয়েছি, ব্যাটিং করেছে সবাই। অনুশীলন ম্যাচটা আমরা প্রস্তুতি নেয়ার জন্যই খেলেছি। মনে হয় যে ওটা খুব বেশি একটা প্রতিচ্ছবি রাখে নাই মূল ম্যাচে।’
ডারউইনে দাপট দেখিয়েছে পেসাররা। প্রথম ইনিংসে ১০ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে পেসাররা নিয়েছেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে আবার স্পিনাররাও ভালো অবদান রেখেছেন। যে পিচে পেসারদের দাপট ছিল, দ্বিতীয় ইনিংসে সেখানে স্পিনাররা দাপট দেখিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। সম্মিলিত শক্তির এক স্মরণীয় জয় বাংলাদেশের।









