এয়ারলাইন্স শিল্পকে করোনা মহামারী পর পুরনরুদ্ধার করে ব্যাগেজ অব্যবস্থাপনার হার কমেছে। এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এসআইটিএ) সাম্প্রতিক ব্যাগেজ ইনসাইটস রিপোর্টে দেখা গেছে, ২০২২ সালে প্রায় ২৬ মিলিয়ন লাগেজ হারিয়েছে যার মধ্যে প্রতি ১ হাজারে প্রায় আটটি লাগেজ পৌছাতে বিলম্ব হয়েছে বা লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যম বিবিসির নতুন তথ্য মতে, মহামরীর পর এই অব্যবস্থাপনার উন্নতি হচ্ছে।
এসআইটিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে প্রতি ১ হাজার যাত্রীর মধ্যে ৭ দশমিক ৬ শতাংশের লাগেজ পৌছাতে বিলম্ব হয়েছে, হারিয়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০১২ সালের পর এই হার সর্বচ্চো ছিল।
সেই বছর প্রতি ১ হাজার যাত্রীর প্রায় নয়টি লাগেজে ভুল ব্যবস্থাপনা ছিল । ২০১৯ সালে মহামারীর আগে এই সংখ্যা ছিল প্রতি ১ হাজার যাত্রীর লাগেজে প্রায় ছয় জনের লাগেজের অব্যবস্থাপনা ছিল।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২২ সালের ফ্লাইটের সময় পরিবর্তনের সমস্যাগুলোর জন্য ৪২ শতাংশ লাগেজের অব্যবস্থাপনা হয়েছে। এসআইটিএর ব্যাগেজের ব্যবস্থা প্রধান নিকোল হগ বলেছেন, মহামারীর পর আমরা যাত্রী ট্র্যাফিক বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মীদেরও ঘাটতি দেখেছি। মানুষ আসলেই ব্যাগেজ নিয়ে ভ্রমণের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন, আমরা চাই ব্যাগ নিয়ে ভ্রমণ করার জন্য যাত্রীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
এসআইটিএ ২০২৩ সালের অস্থায়ী ডেটা বিবিসিকে দিয়েছে। যদিও এটি এই বছরের পুরো সময়ের জন্য যাত্রীর ডেটা না পাওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়না।
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) বলেছে ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে, মালপত্রের অব্যবস্থাপনার সংখ্যা ছিল ৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন যা ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে ৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন থেকে কমেছে।
এসআইটিএ জানিয়েছে, এই অবস্থা গত মে- জুলাই মাস থেকে বছরের শেষের দিকে দ্রুত উন্নতি শুরু করবে। যাত্রীর সংখ্যার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাগের ভুল স্তানান্তর কম হয়েছে।
নিকোল হগ বলেছিলেন, পূর্বে হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ পাওয়ার সম্ভাবনা ১ শতাংশের কম ছিল। বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলো ব্যাগেজের অব্যবস্থাপনা রোধ করতে অটোমেশন পদ্ধতি ব্যবহার করছে।









