১৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মালদ্বীপ ফরোয়ার্ড হামজার শটে পরাস্ত হন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। পিছিয়ে পড়েও এলোমেলো হয়ে যায়নি বাংলাদেশ। আক্রমণাত্মক শুরু করা জামাল ভুঁইয়ারা প্রথমার্ধেই ঘুরে দাঁড়ান। দ্বিতীয়ার্ধে দাপটের শেষে মালদ্বীপকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৩ এর লড়াইয়ে দ্বীপ রাষ্ট্রটির বিপক্ষে জয়কে ‘বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা।
ভারতে বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ লড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে ৩৮ ধাপ এগিয়ে থাকা মালদ্বীপের বিপক্ষে। হারিয়েছে ৩-১ গোলে। স্মরণীয় জয়ে গোল তিনটি এনেছেন রাকিব, তারিক কাজী ও শেখ মোরসালিন। মালদ্বীপের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন হামজা। জয়ে সেমিফাইনালের আশা ভালোভাবেই টিকিয়ে রেখেছে লাল-সবুজের দল।
এবারের সাফে বি-গ্রুপে খেলছে বাংলাদেশ। গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লেবাননের বিপক্ষে লড়ে হেরেছে ২-০ গোলে। সেরা চারে খেলতে মালদ্বীপকে হারানোর বিকল্প ছিল না। ২৮ জুন গ্রুপপর্বে শেষ ম্যাচে ভুটানকে হারাতে পারলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই বাংলাদেশের মিলবে সেমিতে খেলার টিকিট।
জয়ের পর শিষ্যদের প্রশংসা করেছেন কোচ ক্যাবরেরা। বলেছেন, ‘বড় অর্জন। আমাদেরকে অবশ্যই ম্যাচটা জিততে হতো। প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী। প্রথম গোলটা হজম করার পর ম্যাচটা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে আমার ছেলেরা দারুণ খেলেছে ম্যাচে ফেরার জন্য। তাদের উপর আস্থা রেখেছি। এবার আশা করি সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারবে তারা। আমাদের আরও একটা ফাইনাল আছে, ভুটানের বিপক্ষে। তাদের বিপক্ষেও ভালো খেলতে হবে।’
ম্যাচে বাংলাদেশের তৃতীয় গোলটি করেছেন শেখ মোরসালিন। তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্যাবরেরা, ‘মোরসালিন এক অসাধারণ প্রতিভা। সে তার ক্লাবে খুবই ভালো খেলছে। সেখানে ভালো পরিবেশও পাচ্ছে। এখনও তার পরিণত হতে সময় লাগবে। তবে আজ মোরসালিন খুবই ভালো খেলেছে। তার ফিটনেস ভালো। ভালো একজন ফুটবলার হওয়ার অনেক গুণই আছে।’









