চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: ‘অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা’

বিচারপতি মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী by বিচারপতি মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী
9:22 অপরাহ্ন 09, জানুয়ারি 2023
in মতামত
A A
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মৃতি, নেতাকর্মীদের সাথে বঙ্গবন্ধু. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ৯ মাস আটক থাকার পর পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালী কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

এর পূর্বে ৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলো বিশ্বনেতাদের অব্যাহত চাপে এবং মিত্র বাহিনীর কাছে পাক-হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের কারণে পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয়ে বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কারাপ্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সদ্য প্রসূত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের আবাল বৃদ্ধ-বনিতাসহ এদেশের তৎকালীন সাড়ে সাত কোটি মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরিসমাপ্তি হয়েও যেন শেষ হয়না, ৭ জানুয়ারি ভোর রাতে অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ এ যখন আমরা জানতে পারলাম জাতির পিতা মুক্তি পেয়ে পাকিস্তান থেকে উড়োজাহাজে করে সকাল সাড়ে ৬ টায় ইংল্যান্ডের রাজধানী শহর লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছে গেছেন, তখনই আমরা আনন্দ মিছিলে নেমে পড়েছি।

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি প্রথমেই তার স্বপ্নের বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী সেটা সম্ভব ছিল না। সম্ভব ছিল না পাকিস্তানের উড়োজাহাজে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করা। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তৃতীয় দেশ হিসেবে ইরান অথবা তুরস্ককে বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে বঙ্গবন্ধু তা নাকচ করে দেন। এরপর তাঁকে লন্ডন হয়ে দেশে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। কারণ বাংলাদেশের পর ওই সময় সবচেয়ে বেশি বাঙালি বসবাস করতো ব্রিটেনে। ব্রিটেনে বাঙালি প্রবাসীদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছিল আত্মিক যোগাযোগ। ১৯৫৬ সাল থেকেই তাঁর বিলেতে যাতায়াত ছিল। তাই তিনি বেছে নিয়েছিলেন লন্ডনকে। তবে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির খবর তার ইচ্ছা অনুযায়ী পাকিস্তান সরকার প্রচার করেনি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমি নিজেই বিশ্বকে জানাতে চাই আমার মুক্তির বার্তা। লন্ডনে বঙ্গবন্ধু মাত্র একদিন যাত্রা বিরতি করেছিলেন। ৮ জানুয়ারি বিবিসির মর্নিং সার্ভিসে বঙ্গবন্ধু মুক্ত হয়ে লন্ডনে আসছেন এমন খবর পরিবেশন করা হয়। সকাল ৭টায় বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে প্রচারিত খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বিমানযোগে লন্ডনে আসছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। একইদিন রয়টার্স শিরোনাম করেছিল ‘লন্ডনে শেখ মুজিব।’ ৮ তারিখ বিকাল ৫টায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার এডওয়ার্ড হিথ এর আমন্ত্রণে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। উল্লেখ্য যে, ব্রিটেন তখনও বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসার প্রায় একমাস পর ১৯৭২ এর ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখে ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

৯ জানুয়ারি ‘সানডে টাইমস’ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বৈঠক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। ৯ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি হিথ্রো বিমানবন্দর ছাড়ার পর বিবিসি ঘোষণা দেয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। তিনি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে ভারতে যাত্রা বিরতি করেন ওইদিন সকালেই, ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, ভারতের মন্ত্রিসভার সকল সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়। ভারতের জনগন উষ্ণ সংবর্ধনা দেন স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ এবং ভারতের জনগনের প্রতি তাদের অকৃপণ সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি।

১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বেলা ০১:৪১ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লালিত স্বপ্নের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ২৩ দিন। পর ১০ জানুয়ারি আমরা প্রিয় নেতাকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য বিমানবন্দরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম, ওই দিন লাখ লাখ মানুষ আনন্দে আত্মহারা হয়ে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান বর্তমান। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে ঊষ্ণ প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানায়। এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য যা কাগজে কলমে লিখে প্রকাশ করা যায় না। মানুষের ঢল নেমেছিল সমগ্র ঢাকা শহরে, কানায় কানায় পূর্ণ রেসকোর্স ময়দানে ১০ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে তিনি বিকাল ৫টায় অশ্রুসিক্ত আবেগ ভরা কণ্ঠে তার স্বাধীন বাংলার মাটিতে দেশের আপামর মানুষের উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালী জাতির প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন, সম্ভ্রম ও নির্যাতিত হয়েছেন তাদের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ এদেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতাসহ সকলস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে সোনার বাংলায় গড়ে তোলার প্রত্যয়ে প্রদত্ত ভাষণে বঙ্গবন্ধুর যেমন ছিল আবেগ, তেমনি আনন্দ ও বেদনার অশ্রু দু’চোখ বয়ে নেমেছিল অঝরে। প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে বাংলার সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর চোখে জলধারা নেমেছিল অঝোরে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে সমগ্র বাংলার আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয়ে উঠে ছিল। জাতির পিতা আবেগ তাড়িত কণ্ঠে বলেন, “যে মাটিকে আমি এত ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি ফিরে যেতে পারবো কিনা, আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।” সবাইকে দেশ গড়ার কাজে আহব্বান করে তিনি বলেন, “আজ থেকে আমার অনুরোধ, আমার আদেশ, আমার হুকুম ভাই হিসাবে, নেতা বা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়, আমি তোমাদের ভাই, তোমরা আমার ভাই, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না পায়, যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়, এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের যুবকরা চাকরি না পায়, মুক্তি বাহিনী, ছাত্র সমাজ তোমাদের মোবারকবাদ জানাই তোমরা গেরিলা হয়েছো, তোমরা রক্ত দিয়েছো, রক্ত বৃথা যাবে না, রক্ত বৃথা যায় না।” বঙ্গবন্ধু বলেন, “আমাকে আপনারা পেয়েছেন, আমি এসেছি। জানতাম না আমার ফাঁসির হুকুম হয়েছে, আমার সেলের পাশে আমার কবর খোড়া হয়েছিল। আমি প্রস্তুত হয়েছিলাম, বলেছিলাম আমি বাঙালী, আমি মানুষ, আমি মুসলমান, মুসলমান একবার মরে দুইবার মরে না। আমি বলেছিলাম আমার মৃত্যু আসে যদি আমি হাসতে হাসতে যাবো। আমার বাঙালী জাতিকে অপমান করে যাব না। তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইবো না। যাবার সময় বলে যাবো জয় বাংলা, স্বাধীন বাংলা, বাঙালী আমার জাতি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলার মাটি আমার স্থান।”

সকল গনমাধ্যমে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করা হয়েছিল- “অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা হিসাবে। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতীক্ষা আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার স্বীকৃতির জন্য ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে পাকিস্তানী স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে কারারুদ্ধ করে। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। ১৯৫৪ সালের যুক্ত ফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফার ভিত্তিতে স্বাধিকার আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে কারা মুক্তির জন্য গনঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও বাঙালীর মুক্তির সনদ ৬ দফা ও ছাত্র সমাজের ১১ দফার ভিত্তিতে শাসনতন্ত্র প্রস্তুত করে দেশ পরিচালনার জন্য বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতায় বসতে দেয়া হয়নি। ৭ মার্চ ১৯৭১ সালের রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি পরিস্কার ভাবে জাতির সামনে ব্যাখ্যা করেছেন পাকিস্তানী সামরিক শাসকদের ষড়যন্ত্রের কথা। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগ ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙালী জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন সদ্য স্বাধীন সার্বভৌম যুদ্ধবিধ্বস্ত এক বাংলাদেশ। দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রশ্নে বাঙালী জাতি যখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি তখন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সারা পৃথিবীর গণমাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে সম্প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী বিমানটি তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণের দৃশ্য এনবিসি টেলিভিশনের ভাষ্যকার ‘আজ বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হলো’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধুকে ‘বাংলাদেশের জর্জ ওয়াশিংটন’ হিসাবে উল্লেখ করা হয় এবং জাতির পিতাকে জনগনের স্বাগত জানানোর ঘটনাকে বিশ্বের সবচেয়ে আবেগঘন ঘটনা হিসাবে অবহিত করা হয়। একই সাথে পাকিস্তানের পক্ষে আগত মার্কিন নৌবাহিনীর ৭ম নৌবহর বঙ্গোপসাগর ত্যাগের খবরটিও প্রতিবেদনে গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টি মাস বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের স্বৈরশাসকরা পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আটকে রেখেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের বেশির ভাগ সময়ই কারাগারে কাটিয়েছেন। তিনি কখনো কারাগারকে ভয় পাননি। ১৬ ডিসেম্বরে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশে রূপান্তরিত হওয়ার পর পাকিস্তান সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। তখন তিনি বীর বাঙালির বীর নেতা হিসেবে বীরের বেশে তাঁর স্বাধীন বাংলায় প্রত্যাবর্তন করেন।

একটি দেশের একজন রাজনৈতিক নেতা এতটা জনপ্রিয় হয় কেমন করে হয় এটি একটি বিস্ময়! যিনি পুরো নয় মাস দেশেই ছিলেন না, তারপরও শুধু তাঁর নামের ওপর ভিত্তি করে বীর বাঙালী আত্মবিশ্বাসে দেশকে স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসে। কিন্তু তিনি যদি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে নিমর্মভাবে সপরিবারে নিহত না হতেন, তাহলে এখন যেভাবে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তার অনেক আগেই বাংলাদেশ মালয়েশিয়া কিংবা সিঙ্গাপুরের মত উন্নত দেশে পরিণত হতো। ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা দেশের বাইরে থাকার কারণে প্রাণে বেঁচে যান। পরবর্তী সরকারগুলো জাতির পিতার দুই কন্যাকে দেশে আসতে না দেওয়ার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর ন্যায় চ্যালেঞ্জ নিয়েই ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে শুরু হলো ঘরে-বাইরে নতুন ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফল আন্দোলনে পতন হলো সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের। দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন। শুরু হলো নতুন ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসতে দেবে না ষড়যন্ত্রকারীরা। নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে শেখ হসিনাকে হারিয়ে দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হলো। ভোট বেশি পেয়েও আসন কম পাওয়ায় জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসতে না পারায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কাজ ১০ বছর পিছিয়ে গেল। অন্যথায় ১০ বছর পূর্বেই শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সুদৃঢ় নেতৃত্বে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ পরিপূর্ণ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হয়ে জাতির পিতার সোনার বাংলায় পরিণত হতো। জয়বাংলা-জয়বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Previous Post

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২০ জন হাসপাতালে

Next Post

উসমানের সেঞ্চুরিতে ম্লান আজমের কীর্তি

Next Post
ক্রিকেট মাঠে আহত খেলোয়াড়ের জন্য চিকিৎসা নিচ্ছেন চিকিৎসক. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

উসমানের সেঞ্চুরিতে ম্লান আজমের কীর্তি

Bangladeshi news portal Channel i Online covers national and international news. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঢাকায় আসছেন চীনের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT