খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন, খাদ্যের ভেজাল নিরূপণে নারায়ণগঞ্জে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ল্যাবরেটরি তৈরি হবে। এছাড়াও ৮টি বিভাগে ৮টি আধুনিক ল্যাবিরেটরি স্থাপনের কাজ চলছে।
মঙ্গলবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ ও বিধি-প্রবিধি সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম’ শীর্ষক সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক ইশতিহারে রয়েছে ঘরে ঘরে নিরাপদ খাদ্য পোঁছে দেয়ার অঙ্গিকার। খাদ্যে ভেজাল বা অনিরাপদ খাদ্য একটি সামাজিক সমস্যা। শুধু আইন দিয়ে কোন সামাজিক সমস্যা রোধ করা সম্ভব না। প্রয়োজন গণসচেতনতা তৈরি। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে।’
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন ‘খাদ্যকে নিরাপদ করতে সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। নিরাপদ খাদ্যের তাগিদে আমাদের গুড অ্যাগ্রিকালচার প্র্যাকটিসের পাশাপাশি প্রযুক্তির কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’
গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপদ খাদ্যের সংবাদ উপস্থাপনার উপর অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহী করার সুপারিশ করেন উন্নয়ন সাংবাদিক শাইখ সিরাজ।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সারা পৃথিবীই এখন সজাগ। খাদ্য উৎপাদন থেকে খাদ্য পরিবেশন অবধি খাবারটি নিরাপদ কি না সে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি নিরাপদ খাদ্যের সংবাদ উপস্থাপনায় গণমাধ্যমকে সচেতন করার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন সারাদেশে তারা ৪৯২টি নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে থাকেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যম কর্মী ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা।









