অর্থ পাচার মামলায় বিএনপি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের আপিল শুনানির দিন ৪ মে ঠিক করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাই কোর্ট বেঞ্চ আপিল শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
দুদকের আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে হাজির না হওয়ায় তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে আপিলের শুনানি শুরু হবে। এসময় আসামী কোনো আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন না বলে জানান তিনি।
২০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে করা মামলার রায়ে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে খালাস দেন। মামলায় তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছর কারাদণ্ড এবং ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করলে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে আসামি তারেক রহমানকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন।
শুনানিতে হাজির হতে দু’দফা সমন দেওয়া হয় আসামিকে। দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, লন্ডন হাইকমিশন বলেছেন, তারেক রহমানের বর্তমান ঠিকানায় রয়েল মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আদালত নথিপত্র ঘেটে সমস্ত রিপোর্ট দেখলেন এবং লন্ডন হাইকমিশন থেকে সিএমএম ঢাকা কোর্টে পাঠানো রিপোর্ট দেখলেন পর্যালোচনা করে আমার বক্তব্য শুনলেন। তারেক রহমানকে খালাস দিয়ে যে রায় দেওয়া হয়েছিলো তার আইনগত বৈধতা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, দুটি আপিল একই সাথে আগামী ৪ মে (দুপুরে) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আইনের দৃষ্টিতে তারেক রহমানের অবস্থান এবং আইনী সুবিধার পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন দুদকের আইনজীবী।
খুরশীদ আলম খান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের করা আপিলটি যখন হাইকোর্ট মঞ্জুর করে সে সময় তারেক রহমানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো বিচারিক আদালতে তাকে আত্নসর্মপন করার জন্য কিন্ত উনি বিচারিক আদালতে আত্নসর্মপন করেন নাই। তাই আইনের দৃষ্টিতে উনি এখন পলাতক। উনি যেহেতু পলাতক তাই আদালতে উনার পক্ষে কথা বলার আইনগত অধিকার নেই।
২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় তারেক রহমান ও তাঁর বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল-মামুনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক।









