“শিক্ষাতেই সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে। কারণ শিক্ষাই মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। মানুষের কাছ থেকে সব সম্পদ হারিয়ে যেতে পারে কিন্তু শিক্ষা কখনো হারায় না। আজ যারা শিশু তারাই তো ভবিষ্যতে দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সচিব হবে। বড় বড় পদে যাবে। তাই শিক্ষার উপর বাড়তি গুরুত্ব দিতেই হবে।”, সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৫-১৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশকে আমরা শিক্ষায় যেমন এগিয়ে নিতে চায় তেমনই প্রযুক্তিতে। আগে দেশে কেউ কম্পিউটার ধরতেই চাইতো না। ব্যবহারতো দূরের কথা। আর এখন ঘরে ঘরে কম্পিউটার। সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ঘরে বসেই দেখছে পুরো বিশ্বটাকে। খুব শীঘ্রই আমাদের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হয়ে যাবে। সেটা হলে আরো গতি আসবে ইন্টারনেটে। তখন সব কাজের জন্য আর ঢাকামুখী হতে হবে না।
শিক্ষায় বেশি গুরুত্ব দিতে অবৈতনিক শিক্ষা, বিনামূল্যে বইয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাইছি এখন প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে আবাসিক স্কুল তৈরি করে দিতে। তাহলে নদী- পাহাড়ের নানান দুর্গম পথ পেরিয়ে কষ্ট করে যেসব শিশুরা স্কুলে আসে তাদের কষ্টটা কমবে। স্কুলে থেকেই তারা পড়াশোনা সম্পন্ন করতে পারবে। পাশাপাশি আমরা উচ্চশিক্ষার জন্যও বৃত্তির ব্যবস্থা করছি। এখন পিএইচডি করলেও বৃত্তি দেওয়া হবে।
পড়াশোনাকে খরচ হিসেবে নয় বরং বিনিয়োগ হিসেবেই দেখার পক্ষপাতি বঙ্গবন্ধুকন্যা। বলেন, যারা পড়াশোনা করছে তাদের জন্য যে খরচটা হচ্ছে তা খরচ নয় বরং বিনিয়োগ। এরাই তো পড়াশোনা শেষে ভালো কাজ করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। একই কথা আমি বলতে চাই বাবা-মাদেরও। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা অনেক মেধাবী কিন্তু সেটা প্রকাশের সুযোগ নেই। সেই সুযোগ আমাদেরই তৈরি করতে হবে।
সৃজনশীল মেধা অন্বেষণে জয়ীদের এবং এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী সবাইকেই শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা।









